স্বপ্নের ফেরিওয়ালা সিগনেচার লিভিং লিমিটেড

সিটি করেসপন্ডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৮:৪৬ পিএম, ১৯ জুন ২০২১ শনিবার

স্বপ্নের ফেরিওয়ালা সিগনেচার লিভিং লিমিটেড

আমাদের জীবনের পাঁচটি মৌলিক ও মানবিক অধিকার হলো অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা। তবে বাসস্থান এর চাহিদা মেটাতে দেশের আবাসন খাত সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে চলেছে। আমরা সবাই স্বপ্ন দেখি নিজের খুব আপন একটি ঠিকানার। যেখানে ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে আকাশ দেখা যাবে, হাত বাড়িয়ে বৃষ্টি ছোঁয়া যাবে, শৈল্পিক ছাদে বসে পূর্ণ চাঁদের আলোয় গা ভাসিয়ে দেয়া যাবে! এমন একটা কিছু আমাদের কেবল কল্পনায় ছুঁয়ে যায়! আর এই সব অধরা স্বপ্নগুলোকে সিগনেচার লিভিং নিয়ে এসেছে একক ঠিকানায়। সিগনেচার লিভিং এর চলমান এবং প্রস্তাবিত প্রতিটি প্রকল্পই যেন এক একটি স্বপ্নের ঠিকানা।

আবাসন নিয়ে আপনাদের পরিকল্পনা ও প্রত্যাশা নিয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় ও পরিকল্পনা পরিচালক কামরুল হাসান জানান, নারায়ণগঞ্জ শহরে আবাসন ব্যবসার প্রচলন প্রায় ১৫ বছর, অথচ অনেকটা অবহেলিত এবং বৈচিত্র বিহীন, নতুনত্ব বিহীন ভাবেই চলছে এখানের সকল প্রকল্পগুলো। এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় এখন পর্যন্ত এইখানে শহরকেন্দ্রিক শান্তা হোল্ডিংস, বে ডেভেলাপম্যান্টস, সাউথ ব্রীজ, নাভানা, বিটিআই, এসেট কিংবা কনকর্ডের মতন কোন ব্রান্ড তৈরী হয়নি। এই সুযোগটাকে মাথায় রেখেই আমরা এগিয়ে যেতে চাই।

সিগনেচার লিভিং লিমিটেডের অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা ব্যবসা উন্নয়ন পরিচালক মো. সেলিম জানান, আমরা আমাদের সকলের সম্মিলিত মেধা আর সুন্দর কিছু করার প্রত্যয়ে নারায়নগঞ্জ শহরের অত্যাধুনিক নির্মাণে অবদান রেখে গ্রাহকের মনে আস্থার জায়গা করে নিতে চাই। একটা ফ্ল্যাট ক্রয় করতে গেলে বা যৌথ মালিকানায় নতুন প্রকল্প শুরু করতে গেলে সবার আগে ক্রেতা বা ভুমি মালিকগণ ভাবেন সঠিক সময়ের হস্তান্তর হবে তো, কোয়ালিটি নিশ্চিত হবে তো? এই সব শংকার আপোষহীন সমাধান দিতে আমরা নিরবিচ্ছিনভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা কেবল প্রত্যাশা দিয়েই নয়, তা পূরণ করেই সকলের আস্থা অর্জন করে নিতে পারবো ইনশাআল্লাহ্!

প্রধান প্রকৌশলী সাইফুর রহমান লাবলু আশাবাদ ব্যক্ত করেন আগামী ২০২৫ সাল নাগাদ নারায়ণগঞ্জ শহরে আমাদের কমপক্ষে ৫ টি দৃষ্টিনন্দন হস্তান্তরিত প্রকল্প থাকবে যা কেবল নামেই নয় স্বতন্ত্র সিগনেচার হিসেবেই অন্য দশটি প্রকল্প হতে আলাদা পরিচিতি লাভ করবে। ভাল কিছু পেলে আমাদের মন ভরে যায় এটা মানুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য। নারায়ণগঞ্জ শহরের মিশনপাড়া আবাসিক এলাকায় চলমান প্রকল্প এস আহমেদ প্যালেস সিগনেচার লিভিং লিমিটেড এর প্রিমিয়াম প্রকল্প! এছাড়াও একাধিক আপকামিং অত্যাধুনিক প্রকল্প আসছে অচীরেই! মনের মাধুরী মিশিয়ে এমনই ভাল কিছু করার চেষ্টায় দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে সিগনেচার লিভিং লিমিটেড যা কেবল অর্থ দিয়েই নয় বরং সুন্দর মন আর মননশীলতা দিয়ে সত্যিকারের উপভোগ করা যাবে। সবুজ প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে কংক্রীটের জঙ্গলে চরম অবহেলিত ছাদে থাকছে সবুজ প্রকৃতির ছোঁয়া, কমিউনিটি রুম, বার-বি-কিউ জোন, কফি কর্ণার সহ একেবারে আপন অনুভবের প্রায় সকল উপকরণ সমূহ! অনেক চড়াই উৎরাইয়ের মধ্যদিয়ে উঠে আসা এ আবাসন খাত বর্তমানে নানাবিধ সমস্যা ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। গত কয়েক বছর ধরে চলে আসা এ খাতের মন্দাভাব এখনও কাটছে না। এছাড়া আছে নিত্যনতুন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে রাজউকের অকারণ খবরদারী। আবাসন ব্যবসার এই মন্দাভাব কাটাতে সরকারী উদ্যোগ এর পাশাপাশি একই শিল্পে আমরা যারা আছি প্রত্যেকের একান্ত সহযোগিতা প্রয়োজন। আমাদের প্রকল্পগুলো কেবলমাত্র স্কয়ার ফুটের মূল্য দিয়ে মূল্যায়িত হোক এটা আমরা কোনভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইনা। বরং ভালবাসা, স্বাধীনতা, হাসি আনন্দ, নিশ্চিন্তে নিঃশ্বাস নেবার স্থান আর সমমনা পছন্দসই প্রতিবেশি দিয়ে আত্মার আত্মীয়তা দিয়েই হোক আমাদের প্রকল্পের মূল্যায়ন।

প্রকল্প সমন্বয়কারী এহসানুল হক (মান্না) জানান, নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রায় সকল সম্মানিত ক্রেতারাই বাজারের সবচেয়ে কমমূল্যে কাংখিত এপার্টমেন্ট ক্রয় করতে ইচ্ছুক। অথচ অনেকেই এই কমমূল্যে এপার্টমেন্ট কিনে দিনের পর দিন সঠিক সময়ে ফ্ল্যাট বা প্রকল্প হস্তান্তর না পেয়ে ভুক্তভোগী হয়েছেন। অনেকেই বলে থাকেন, পাশের এপার্টমেন্ট এত কমে বিক্রি করছে তাহলে আপনারা বেশী চাইছেন কেন? আমরা হেসে বলি, গুণগত নির্মাণে আমাদের কোন ছাড় নেই। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের হস্তান্তরিত প্রকল্প না দেখে কেবল চলমান প্রকল্পের নির্মাণ কাজের গুণগত মান দেখে আমাদের সম্মানীত ক্রেতারা অবশ্যই বুঝবেন, আবাসন শিল্পে আসলে কি কি সেবা পাওয়া সম্ভব এবং পাওয়া উচিত! আমরা বিশ্বাস করি, একটা এপার্টম্যান্ট কেনা মানেই একটা লাইফস্টাইল এর অংশীদার হওয়া। ন্যুনতম ৩০ টি পরিবার একটি বাড়িতে থাকলে জিমনেশিয়াম, সুইমিং পুল, লন্ড্রি, ফার্মেসী, প্রার্থণার স্থান থাকা এখন বিলাসিতা নয় বরং অপরিহার্য বটে। একটি বাড়ির স্থায়ীত্ব নুনতম ৬০ বছর ধরলেও অন্তত তিন প্রজন্ম ঐ বাড়িতে বসবাস করার কথা। আর তাই পরবর্তী বংশধরদের জন্য নিরাপদ ছাদ আর স্বাচ্ছন্দ্য রেখে যাওয়া সর্বোপরি নির্ভর করার মতন একজন প্রতিবেশী পাওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আবাসন ও নির্মাণ শিল্প দ্রুত বিকাশমান সম্ভাবনাময় একটি খাত। অর্থনৈতিক মন্দার কারণে ব্যপক ছন্দপতন হয় এই খাতে। তা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা চলছে নিরন্তর। আবাসন ব্যবসার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো কোয়ালিটি এবং কমিটমেন্ট। সিগনেচার লিভিং লিমিটেড তার গ্রাহকগণের লালিত স্বপ্নের বাস্তব রূপ দিতে শুরু থেকেই প্রতিটি কথায় এবং কাজে ১০০% প্রিমিয়াম কোয়ালিটি নিশ্চিত করে আসছে এবং নিখুঁত নির্মাণ কাজে ব্যবহার করছে স্টিল শাটার। নির্মাণ কাজ তদারকির জন্য আমাদের সাথে আছেন বাংলাদেশের খ্যতনামা কোম্পানিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আর্কিটেক্ট, স্ট্রাকচারাল, ইলেকট্রিক্যাল, প্লাম্বিং এবং ইলেকট্রো মেকানিক্যাল প্রকৌশলী বৃন্দ।

সম্ভাবনাময় এ খাতের ব্যবসায় এখন নানাবিধ কঠিন চ্যালেঞ্জ দৃশ্যমান। নির্মাণ সামগ্রী যেমন-রড, সিমেন্ট, পাথর, বালি, রেডিমিক্স, স্যানিটারি ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের চড়া মূল্য এবং পরিবহন ব্যায়ের ঊর্ধ্বগতি এ সেক্টরের বিকাশের ক্ষেত্রে অন্যতম অন্তরায় হিসেবে কাজ করছে। এছাড়াও জমির উচ্চমূল্য, সম্মানীত ভূমির মালিকদের আকাশ কুসুম সাইনিং মানীর প্রত্যাশা এবং কিছু নামসর্বস্ব অনভিজ্ঞ ভূঁইফোড় ডেভেলাপারের অতি উৎসাহ এ খাতের বিকাশে বড় অন্তরায়। তাছাড়া নির্মাণ সহায়ক নীতিমালা, নির্মাণ সামগ্রীর ওপর আরোপিত ভ্যাট এবং সর্বোপরি রেজিস্ট্রেশন ব্যায় অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিচ্ছে বলে আমরা মনে করি। তবে নারায়ণগঞ্জ রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশন দায়িত্ব নিয়ে সরকারি সকল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তায় এই শহরকে সুন্দর করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

যাপিত জীবনের সাথে গত বছর দেড়েক ধরে যুক্ত হয়েছে, করোনার ভয়াল থাবা। তথাপি, এর মাঝেই আমাদের বেঁচে থাকতে হবে, এগিয়ে যেতে হবে। সিগনেচার লিভিং লিমিটেড আপনাদের হাতে হাতে রেখে এই শহরটাকে ছবির মতন করে গড়ে তোলার পাশাপাশি নিজের আর পরিবারের ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে আপনাদের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আবাসন ও নির্মাণ শিল্প বিষয়ক যে কোন প্রয়োজনে, আপনার একটি ফোন কল’ই আপনার কাছে আমাদের পৌঁছে দেবে ০১৮৪৪৫৮৩০৫০, ০১৮৪৪৫৮৩০৬০।


বিভাগ : ফিচার


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও