নারায়ণগঞ্জ প্রদীপের নিচে অন্ধকার

ফজলুল হক || সাবেক সভাপতি, বিকেএমইএ ১০:২৭ পিএম, ১৯ জুন ২০২১ শনিবার

নারায়ণগঞ্জ প্রদীপের নিচে অন্ধকার

নারায়ণগঞ্জ তখন একেবারেই ছিমছাম শহর। ঢালাই করা বঙ্গবন্ধু সড়ক। দুই-একটা গাড়ি, চার-পাঁচটা রিকশা। আমরা তখন শীতলক্ষ্যায় দল বেঁধে সাঁতার কাটতে যেতাম। তখনকার শীতলক্ষ্যা মানে এক অনিন্দ্যসুন্দর নদী। দেশে তখন এত বেশি ব্যবসা-বাণিজ্য ছিল না। যতটুকু ছিল, তার একটি বড় অংশ ছিল নারায়ণগঞ্জে। পাট তখন ধীরে ধীরে অবস্থান হারাচ্ছিল। নারায়ণগঞ্জকেন্দ্রিক গড়ে ওঠা হোসিয়ারি শিল্প, টানবাজারের রং, সুতা ও রাসায়নিকের ব্যবসা, নিতাইগঞ্জের খাদ্যপণ্যের ব্যবসাগুলো তখন জমজমাট। জানা-বোঝা হওয়ার পর থেকেই ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য নারায়ণগঞ্জকে আমরা বাংলাদেশের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে জানি। এখনো সেই ঐতিহ্য লালন করে আসছি। দেশের তৈরি পোশাকশিল্পসহ নানা ধরনের শিল্পকারখানার ফলে সারা দেশ থেকে লাখো মানুষ এই শহরে এসে বসতি স্থাপন করছে। এই শহর ক্রমাগত তার বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে।

এই বিবর্তনের শুরু থেকেই একটি পরিকল্পনার অভাব ছিল, এখনো আছে। এটাই আমাকে পীড়া দেয়। এখানে পরিকল্পিত একটি আবাসিক কিংবা বাণিজ্যিক এলাকা নেই। ভালো মানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবাপ্রতিষ্ঠান, বিনোদনকেন্দ্র কিছুই নেই। একটি সড়কের ওপর পুরো শহরের ভার। সবখানেই পরিকল্পনাহীনতা ও অবহেলার ছাপ। নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত পরিকল্পনার অভাব থাকাটা নানা কারণে মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু গত ২০ বছরে অন্তত একটি মহাপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া প্রয়োজন ছিল। নদীতীরবর্তী এই শহর তাহলে আরও সুসজ্জিত ও স্বাস্থ্যকর হতো।

এই অবহেলার ফলেই হয়তো নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর তার গুরুত্ব হারিয়েছে। নদী পারাপারের ব্যবস্থা এখনো সেই আদিকালের। রেলওয়ে গুরুত্ব হারিয়েছে। নয়ামাটির হোসিয়ারি শিল্পকে পরিকল্পনায় আনা যায়নি। টানবাজারের মতো একটি জনাকীর্ণ এলাকায় এখনো রাসায়নিকের গুদামগুলো টিকে আছে। শীতলক্ষ্যা নদী নারায়ণগঞ্জের প্রাণ, কিন্তু নদী রক্ষা, নদীর উন্নয়ন কোনো কিছুতেই আমরা গুরুত্ব দিইনি।

তবে স্মরণকালের খুবই বুদ্ধিমত্তা ও পরিকল্পনামাফিক একটি কাজ হলো আদমজী জুট মিলের জায়গায় আদমজী ইপিজেড (রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল) স্থাপন। আমরা আদমজী পাটকলের তুলনামূলক একটি ভালো প্রতিস্থাপন করতে পেরেছি। বন্দর এলাকার পরিকল্পিত উন্নয়ন আরেকটি ভালো উদাহরণ। আমাদের শৈশবের বন্দর মানেই ছিল কিছু সরু এবড়ো–থেবড়ো সড়ক আর নাগরিক সুবিধাহীন একটি এলাকা। সিটি করপোরেশন হওয়ার পর এই এলাকার পরিবর্তন একেবারেই অবিশ্বাস্য। সাহস করে পরিকল্পনা নেওয়া গেলে যে কঠিন কাজও করা সম্ভব, এটা তারই প্রমাণ। বন্দরকে এমন চমৎকারভাবে গড়ে তোলা আমাদের নারায়ণগঞ্জ শহর নিয়ে আশাবাদী করে তোলে। আমরা কেমন করে এই অসহনীয় অবস্থা থেকে শহরকে মুক্ত করতে পারি, সেটা একটু গভীরভাবে ভাবলে সমাধান পাওয়া যাবে।

পাটশিল্প পরিকল্পিতভাবে গড়ে না উঠলেও অন্তত বিক্ষিপ্ত ছিল না। আদমজী পাটকল মূল শহর থেকে দূরে ছিল। পাটের গুদামগুলো শীতলক্ষ্যা নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে উঠেছিল। কিন্তু তৈরি পোশাকশিল্পটা শুরু থেকেই বিক্ষিপ্তভাবে গড়ে উঠেছে। শ্রমিকের বাসস্থান, পরিবেশ, প্রাণ-প্রকৃতি কোনো কিছুই মাথায় না রেখে যেখানে–সেখানে কারখানা গড়ে তোলা হয়েছে। কিন্তু, এখনো সরকার এই শিল্পকে পরিকল্পনামাফিক সাজানোর কথা ভাবছে না। তবে হোসিয়ারি শিল্পমালিকদের জন্য গড়ে তোলা বিসিক শিল্পনগরীতে শত শত তৈরি পোশাক কারখানা স্থাপন নারায়ণগঞ্জ শহরকে একটি বড় বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচিয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ যেহেতু নিটশিল্পের সূতিকাগার, সেহেতু এই শিল্পের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হিসেবেই এখানে অজস্র ডাইং কারখানা গড়ে উঠেছে। নদী, খাল ও জলাশয়গুলোর পানিদূষণের জন্য মূলত এসব ডাইং দায়ী। রপ্তানিমুখী কারখানাগুলো বিদেশি ক্রেতাদের কারণেই এখন দূষণ থেকে সরে এসেছে। বর্তমানে প্রধান সংকট, ছোট ছোট ডাইং কারখানা। ২০০৬ সালে বিকেএমইএর সভাপতি থাকাকালে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে স্থানীয় ডাইংগুলোর জন্য একটি সমন্বিত ইটিপি করার চেষ্টা করেছিলাম। তবে ডাইংগুলো পুরো শহর ও উপশহরজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকায় সেটা বাস্তবসম্মত ছিল না। তাদের জন্য বিসিকের মতো একটি অঞ্চল তৈরি করতে হবে। তা না হলে, সমন্বিত ইটিপি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না।

শীতলক্ষ্যা আমাদের লাইফলাইন। মসলিন, পাট, হোসিয়ারি কিংবা নিটশিল্প, এই সবকিছুর বিকাশেই শীতলক্ষ্যার বড় অবদান আছে। এই নদী আমরা এভাবে নষ্ট করতে পারি না। অন্যান্য প্রাণীদের বাঁচতে দেওয়াও একেবারেই প্রাথমিক চাওয়া। এটা সরকার এবং ব্যবসায়ী সবাইকেই নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি জলাশয় ভরাট, মাঠ ও খোলা জায়গা রক্ষা করতে শ্রমিকদের জন্য বাসস্থান তৈরি করা অনেক বেশি জরুরি। এটা সরকার ও ব্যবসায়ীদের যৌথ উদ্যোগে হতে পারে। তাহলে যেখানে-সেখানে বসতি স্থাপন বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি শ্রমিকদের জীবনমান উন্নত হবে।

কেবল তৈরি পোশাকশিল্পই নয়, হোসিয়ারি শিল্পকে নয়ামাটি থেকে সরিয়ে নিয়ে একটি হোসিয়ারি পল্লি করা প্রয়োজন। শত বছরের পুরোনো এই শিল্প এলাকার কথা ভাবতেই ভয় হয়। টানবাজারে প্রতিদিন হাজারো মানুষের আনাগোনা। এমন একটি জায়গায় কোনোভাবেই রাসায়নিকের গুদাম থাকতে পারে না। এসব গুদাম নিয়ে এখনই পরিকল্পনায় যেতে হবে। পুরান ঢাকার মতো বড় কোনো বিপর্যয়ের পর সেগুলো নিয়ে আমরা আক্ষেপ করতে চাই না।

আমি অনেক সময় আক্ষেপ করে বলি, নারায়ণগঞ্জ হচ্ছে ‘প্রদীপের নিচে অন্ধকার’ কথাটির প্রকৃষ্ট উদাহরণ। নারায়ণগঞ্জ ঐতিহাসিকভাবেই বিখ্যাত। শিল্প ও বাণিজ্যের দিক থেকে অনেক বিভাগীয় শহর থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই নারায়ণগঞ্জ এখনো সরকারিভাবে প্রথম শ্রেণির জেলার মর্যাদা পায়নি। ফলে সরকারি পরিকল্পনা, বরাদ্দ সবকিছু হয় দ্বিতীয় শ্রেণির জেলা হিসেবে। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের। যুগের পর যুগ নারায়ণগঞ্জ কেবল দেশের অর্থনীতিতে দিয়েই গেছে, প্রতিদান হিসেবে খুবই কম পেয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিকভাবেই যে নারায়ণগঞ্জ একটি অবহেলিত জনপদ, এটা তারই প্রমাণ।

নারায়ণগঞ্জকে কেন্দ্র করে বিস্তৃত কোনো পরিকল্পনা হচ্ছে না। শীতলক্ষ্যা সেতু হচ্ছে, অনেকাংশে সেটার সুফল পাবে মুন্সিগঞ্জের মানুষ। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরোনো সড়কের পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর পর্যন্ত উড়াল সেতুর পরিকল্পনা চলছে। সেটা হয়তো মুন্সিগঞ্জবাসীর জন্য খুব কাজে দেবে, কিন্তু নারায়ণগঞ্জের তৈরি পোশাক ব্যবসায়ীদের বিপদে ফেলবে। এটা অনেকটা নারায়ণগঞ্জের বুকে পেরেক মেরে অন্য জেলাকে সুবিধা দেওয়ার মতো হতে পারে। অন্তত বিসিক শিল্পনগরী এবং পার্শ্ববর্তী বিশাল শিল্পনগরীর কথা বিবেচনা করে হলেও এটা বন্ধ করা উচিত। প্রতিদিন শিল্পাঞ্চল এলাকায় যে পরিমাণ মানুষ যাতায়াত করেন, মুন্সিগঞ্জে তার অর্ধেক লোকও যাতায়াত করেন না। আমি মুন্সিগঞ্জকে ছোট করে বলছি না, একটি সুপরিকল্পনার গুরুত্বের কথা বলছি। বরং এই সড়ক ছয় লেন বা আট লেন হতে পারে। প্রয়োজনে মুন্সিগঞ্জের জন্য আলাদা লেন থাকতে পারে। সড়ক প্রশস্ত হলে শিল্পাঞ্চল ও মুন্সিগঞ্জবাসী সবাই উপকৃত হবে।

এমনিতেই দেশে অতিরিক্ত জনসংখ্যা। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ শিল্পাঞ্চল হওয়ায় বাইরের জেলার লোকজনও এখানে ভিড় জমায়। ছোট একটি শহরে ২০ লাখের বেশি মানুষের বসবাস। অথচ এই শহরে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নেই। তোলারাম কলেজটিরও ভালো কোনো ক্যাম্পাস নেই। একটি মেডিকেল কলেজ নেই। খানপুরে ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল হওয়ার পর আমরা খুবই আশাবাদী হয়েছিলাম। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, হাসপাতালটি প্রায় অকার্যকর। নারায়ণগঞ্জের কোনো সচ্ছল লোক এই হাসপাতালে চিকিৎসা নেন বলে মনে হয় না। এই জেলার রাজনীতিক, ব্যবসায়ী যাঁরাই প্রতিষ্ঠিত, তাঁদের অল্প কয়েকজন ছাড়া কেউ এখন নারায়ণগঞ্জে থাকেন না। কেনই বা থাকবেন? তাঁদের সন্তানদের পড়াশোনার জন্য ভালো কোনো প্রতিষ্ঠান নেই, তাঁরা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে এখানেই বিনা চিকিৎসায় ভুগতে হবে। শহরটায় চলাচলও করা যায় না।

পরিকল্পনাহীনতা ও অবহেলার আরও একটি উদাহরণ হলো ডিএনডি প্রকল্প। এই প্রকল্প যখন কৃষির কথা বিবেচনা করে করা হলো, তখন ঠিক ছিল। কিন্তু বাস্তবতার নিরিখে এই ডিএনডিকেন্দ্রিক পরিকল্পনায় কোনো পরিবর্তন আসেনি। ডিএনডিতে বসতি স্থাপনের নিয়ম নেই। এটা বাস্তবতায় নেই, কিন্তু একটা আইন করে রাখা হয়েছে। অপরিকল্পিত বসতি স্থাপনের ফলে এই এলাকায় থাকা লাখো মানুষ বিপদগ্রস্ত হয়েছে। এখন শত শত কোটি টাকা খরচ করে প্রায়শ্চিত্ত করা হচ্ছে, কিন্তু এটাকে নারায়ণগঞ্জের সঙ্গে মিলিয়ে একটি মহাপরিকল্পনার আওতায় আনা হচ্ছে না। নারায়ণগঞ্জের একটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম নিয়ে আমরা গর্ব করতাম। ডিএনডি প্রকল্পের ব্যর্থতার ফলে সেই স্টেডিয়াম এখন বছরের পর বছর ধরে প্রায় অকার্যকর। নারায়ণগঞ্জ ক্রমাগত একটি অসহনীয় জনপদে পরিণত হচ্ছে, অথচ রাজউক এখনো কুম্ভকর্ণের মতো বসে আছে। এই রাজউক দিয়ে আর কাজ হচ্ছে না। তারা নারায়ণগঞ্জে কর্তৃত্ব খাটায়, কিন্তু নারায়ণগঞ্জের উন্নয়ন নিয়ে কোনো কাজ করে না। তাদের সব পরিকল্পনা ও ব্যস্ততা ঢাকাকেন্দ্রিক। এটাই বাস্তবতা। তারা ভাবতেই পারছে না, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা এক বিষয় নয়। নারায়ণগঞ্জের আলাদা গুরুত্ব ও বৈশিষ্ট্য আছে। নারায়ণগঞ্জকে কেন্দ্র করে ভাববে, বিস্তৃত পরিকল্পনা হাতে নেবে, সেটার বাস্তবায়ন করবে, এমন একটি প্রতিষ্ঠান এখন সময়ের দাবি। নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নের জন্য আলাদা একটি প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন। তারা নারায়ণগঞ্জ ডেভেলপমেন্ট অথরিটির মতো কিছু একটা হবে।

আমরা অনেক দেরি করে ফেলেছি। এখন আর হয়তো স্বপ্নের নারায়ণগঞ্জ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তবে একটি বাসযোগ্য নারায়ণগঞ্জ গড়ে তোলা সম্ভব। শহরের প্রধানতম সড়কটি ভয়ানক রকম ব্যস্ত। তার মধ্যে হকারদের উৎপাত। এটা চলতে দেওয়া যায় না। সড়ক থাকবে পথচারীর। বিসিক, আদমজীসহ শিল্প এলাকাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের জন্য আরও নতুন সড়ক তৈরি করতে হবে। ফতুল্লার মতো পুরোনো শিল্পাঞ্চলটার সড়কগুলো প্রশস্ত করা জরুরি। একসময় চাষাঢ়া থেকে কমলাপুর পর্যন্ত একটি বিকল্প সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড প্রশস্ত হলেও আগের সেই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হওয়া প্রয়োজন। শহরের ভেতর থেকে বাসস্টেশন সরিয়ে নেওয়াটা খুবই জরুরি।

অনেক আগে থেকেই নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন রকম অবকাঠামো ছিল। জাতীয়ভাবে নারায়ণগঞ্জের আলাদা গুরুত্ব ছিল। অবহেলা ও পরিকল্পনাহীনতার ফলে ক্রমাগত আমরা সেই গুরুত্ব হারিয়েছি। এখন নারায়ণগঞ্জকে বাইরের জেলার লোকজন একটু আতঙ্ক, সন্দেহ আর অবহেলার চোখে দেখে। নারায়ণগঞ্জ নিয়ে একটা মিথ আছে, এটা ভয়ংকর জেলা। অহেতুক এই কুখ্যাতি আমাদের অনেক ক্ষতি করেছে। যুগ যুগ ধরে আমরা নারায়ণগঞ্জকে বাণিজ্য ও শিল্পনগরী হিসেবে গড়ে তুলেছি। সেই ধারা আমরা বজায় রাখতে পেরেছি। কিন্তু সময়ের চাহিদা অনুযায়ী এখনো এই শহরের গুণগত পরিবর্তন আনতে পারিনি। এখনই সময় পাল্টে যাওয়ার, একটি মহাপরিকল্পনার। শিল্পনগরীর পাশাপাশি আমরা মানসম্মত স্বাস্থ্যকর নগরী হিসেবে নারায়ণগঞ্জকে দেখতে চাই। দেশের মানুষের কাছে নারায়ণগঞ্জের একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি চাই।

সংবাদটি প্রথম আলো হতে নেওয়া। অনুলিখন: গোলাম রাব্বানী।


বিভাগ : ফিচার


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও