উপসর্গ থাকলেই র‌্যাপিড এন্টিজেন টেস্ট

স্টাফ করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ১০:০২ পিএম, ১২ জানুয়ারি ২০২১ মঙ্গলবার

উপসর্গ থাকলেই র‌্যাপিড এন্টিজেন টেস্ট

নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালের র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ল্যাব প্রধান ডা. আমিনুল হক ভূঁইয়া বলেছেন, ‘যেসব ব্যক্তির করোনার উপসর্গ থাকবে যেমন, জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি তাদের এর র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করা হবে। এছাড়াও যারা করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আছেন বা গিয়েছেন তাদেরও র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করা হবে।’

কোভিড-১৯ র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চিকিৎসার বিবরণ দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ১২ জানুয়ারী মঙ্গলবার দুপুরে শহরের খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে এই কোভিড-১৯ র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষার উদ্বোধন করা হয়।

ডা. আমিনুল হক ভূঁইয়া বলেন, যারা বিদেশগামী তাদের জন্য এর র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হবে না। যাদের এখন অপারেশন হবে বা কাল অপারেশন করা হবে তাদের ক্ষেত্রেও টেস্ট করা হবে। তাদের জন্য সরাসরি আরটি-পিসিআর পদ্বতিতে যাবে। এ পরীক্ষার ৩০ মিনিটের মধ্যে জানিয়ে দিতে পারবো পজেটিভ না নেগেটিভ।’

তিনি বলেন, ‘আরটি-পিসিআরে পরীক্ষার জন্য আমাদের ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। যে পজেটিভ সে ২৪ ঘণ্টা পরে জানতে পারে। এ অবস্থায় সে যাওয়া আশা করে এতে সংক্রামণের শংকা থাকে। আর র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের মাধ্যমে ৩০ মিনিটে আমরা জানিয়ে দিতে পারছি আপনি পজেটিভ। এতে আক্রান্ত ব্যক্তি সচেতন হতে পারছে একই সঙ্গে তার পরিবারও। ফলে তিনি দ্রুত আইসোলেশনে গিয়ে চিকিৎসা নিতে পারছেন। এতে সংক্রামণ কম হবে।’

ডা. আমিনুল হক বলেন, ‘আরটি-পিসিআর পরীক্ষার জন্য অনেক সর্তকর্তা ও নিয়ম মেনে করতে অনেক সময় লাগে। সেক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) অনুমোদন দিয়েছে সাউথ কুরিয়ান কোম্পানির ভালো একটি কিট দিয়ে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হচ্ছে। আশা করছি আরটি-পিসিআরের মতোই আমরা সফল ভাবে এটি করতে পারবো এবং মানুষ উপকৃত হবে।’

প্রসঙ্গত ২০২০ সালের ৮ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসার জন্য ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়। সেই সঙ্গে করোনা চিকিৎসা দেওয়ার জন্য হাসপাতালে ৪০ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ড ও ১০ শয্যার আইসিইউ ইউনিট তৈরির কাজ শুরু হয়। পরে ১২ এপ্রিল সীমিত পরিসরে চালু করা হয় হাসপাতালটির ফ্লু-কর্নার। আর ১৩ এপ্রিল থেকে হাসপাতালটিতে শুরু হয় কোভিড-১৯ চিকিৎসা কার্যক্রম। ৬ মে হাসপাতলটিতে করোনা পরীক্ষায় পিসিআর ল্যাব চালু করা হয়। এর প্রায় কয়েকমাস পর ২ জুলাই শুরু হয় হাসপাতালের আইসিইউ ইউনিট।

মঙ্গলবার পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জে ৬৬ হাজার ২৬২ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ৮ হাজার ৬১৮জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়েছে ৮ হাজার ৩০৬জন ও মারা গেছে ১৫১জন।


বিভাগ : স্বাস্থ্য


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও