১৮ মার্চ নারায়ণগঞ্জে মুক্তিযুদ্ধের সশস্ত্র প্রশিক্ষণ শুরু


মোহর আলী চৌধুরী | প্রকাশিত: ১০:০৬ পিএম, ২০ মার্চ ২০২১, শনিবার
১৮ মার্চ  নারায়ণগঞ্জে মুক্তিযুদ্ধের সশস্ত্র প্রশিক্ষণ শুরু

পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের উপর দীর্ঘ ২৩ বছর পশ্চিম পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর শোষণ, নির্যাতন, বৈষম্যের প্রতিকার ও বাঙালি জনগণের রায় বার বার অবহেলিত এবং উপেক্ষিত হওয়ায় বাঙালি তাঁর স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে।

লক্ষ লক্ষ বাঙালির উপস্থিতিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য ১৯৭১ সনের ৭ মার্চ ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণে অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচীসহ “রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেব, তবুও এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম” আহ্বানই বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল ঘোষণা।

এই ঘোষণার আলোকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরিস্থিতিতে বিশিষ্ট জনেরা বিশেষ বিশেষ ভূমিকা পালনের মাধ্যমে দেশ এবং জাতির প্রতি তাদের অবদান রেখেছেন যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে গৌরবোজ্জল ইতিহাস হয়ে আছে। ১৯৫২ সনের ভাষা আন্দোলন থেকে ১৯৭০ সনের নির্বাচন পর্যন্ত প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে অনেক ত্যাগের বিনিময়ে নারায়ণগঞ্জবাসী অগ্রণী ও বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে জাতীয়ভাবে গৌরবোজ্জল প্রশংসা অর্জন করে।

নারায়ণগঞ্জের সংগ্রামী ছাত্র, শ্রমিক ও জনতা নব নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য একে এম শামসুজ্জোহা, প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য আফজাল হোসেন ও আব্দুস সাত্তার ভূইয়া, শহর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আহাম্মদ চুনকা, সাবেক সভাপতি মোস্তফা সারোয়ার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক খাজা মহিউদ্দিন, সাবেক ছাত্রনেতা মনিরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা মোঃ আব্দুল হাই ও নাজিম উদ্দিন মাহমুদ জেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন খাঁন, সাবেক ভিপি এমএ আউয়াল এবং স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ঢাকা জেলার আহ্বায়ক মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সম্পাদক আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে বাঁশের লাঠি হাতে মুখে জয় বাংলা শ্লোগানসহ বিশাল ট্রাক ও বাস বহর নিয়ে ৭ মার্চে ঢাকার রেসকোর্সে ঐতিহাসিক জনসভায় যোগদান করে।

সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে ফিরে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের প্রতিটি বিষয় নারায়ণগঞ্জে বাস্তবায়নের জন্য আওয়ামীলীগ ও ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের জেলা প্রধান কার্যালয় (কন্ট্রোল রুম) রহমত উল্লাহ্ মুসলিম ইনষ্টিটিউটে বসে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

প্রতিদিন সকাল বেলা ঐতিহ্যবাহী তোলারাম কলেজ থেকে এবং বিকেলে ঐতিহ্যবাহী রহমতউল্লাহ্ ক্লাব থেকে স্বাধীনতার লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের সংগ্রামী ছাত্র-জনতার শ্লোগানের নারায়ণগঞ্জের রাজপথ প্রকম্পিত হয়ে উঠে। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্ব ঢাকা জেলার সকল মহকুমা নারায়ণগঞ্জের সকল থানাসহ প্রতিটি পাড়ায়, মহল্লায় জনসভা, পথসভা, মিছিল ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলনের নির্দেশে সফলভাবে বাস্তবায়ন চলছে।

এতে আওয়ামীলীগ ও শ্রমিকলীগ নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা করেন। ঢাকা জেলার সর্বত্র ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নির্দেশে হরতালসহ পাকিস্তানী পতাকার পরিবর্তে স্বাধীন বাংলার পতাকা উড়ছে এবং সিনেমা হলসমূহে পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীতের পরিবর্তে জয় বাংলা সঙ্গীত পরিবেশন করছে এবং বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ অফিস আদালত চলছে।

অসহযোগ আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচীর বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনার জন্য ১৭ মার্চ বিকেলে জেলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাসভবনে উপস্থিত হয়ে পরামর্শ চাইলে বঙ্গবন্ধু বলেন, ওদরে (পাকিস্তানিদের) সাথে কোন আপোষ হবে না, তোরা সবকিছু নিয়ে (সশস্ত্র সংগ্রামের) প্রস্তুত থাক।

ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ ঢাকা থেকে আসতে আসতে গাড়ীতে বসেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে প্রথমে নিজেদের, আত্মীয়-স্বজনদের, পরিচিত বাঙালি পরিবার ও বিভিন্ন বাঙালি প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে অস্ত্র সংগ্রহ করে পশ্চিম দেওভোগ ডিএসএস ক্লাবের মাঠে অবসরপ্রাপ্ত বাঙালি সামরিক পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে নারায়ণগঞ্জে যুবকদের সশস্ত্র প্রশিক্ষণ শুরু করতে হবে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৮ মার্চ থেকে নাগবাড়ীস্থ ডিএসএস ক্লাবের মাঠে (পশ্চিম দেওভোগ, কাশিপুর) এবং পরে দেওভোগ ন্যাশনাল ক্লাবের পেছনে রেলওয়ের মাঠে ২৫ মার্চ পর্যন্ত কয়েকশত যুবক স্বতঃস্ফূর্তভাবে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতিকালীন সশস্ত্র প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে।

কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট, র‌্যালী ব্রাদার্স লিঃ, নারায়ণগঞ্জ রাইফেল ক্লাব ও বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ঢাকা ইকবাল হলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অস্ত্র ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ সংগ্রহ করেছে। কেন্দ্রীয় স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আবদুর রব, জি.এস আব্দুল কুদ্দুস খান, ছাত্রলীগ সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকি ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সিরাজ সমগ্র বাংলাদেশে ২৩ মার্চ পাকিস্তান দিবসের পরিবর্তে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করে বাংলাদেশ দিবস পালনের আহ্বান জানায়।

নারায়ণগঞ্জ সহ ঢাকা জেলার জনগণ স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে ব্যাপকভাবে এ কর্মসূচী সফল করে। ২৩ মার্চ দুপুর থেকে জেলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ রূপগঞ্জ থেকে নির্বাচিত এম.এন.এ এড. আবদুর রাজ্জাক সাহেবের নেতৃত্বে তার এলাকায় জয় বাংলা বাহিনী সালাম গ্রহণ ও জনসেবাং বক্তৃতা করেন। সমগ্র নারায়ণগঞ্জের সরকারী বেসরকারী কার্যক্রম জনগণ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের প্রধান দফতর (কন্ট্রোল রুম) রহমতউল্লাহ্ মুসলিম ইনস্টিটিউটের উপর ন্যস্ত করে দেয়।

স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ দ্বায়িত্ব পালনকারী তোলারাম কলেজের ছাত্র-ছাত্রী সংসদের ভিপি ফয়জুর রহমান, জিএস মোঃ শাহজাহান, ছাত্রনেতা মোবারক হোসেন, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, মো. শরফুদ্দিন আহমেদ রবি, খবির আহম্মেদ, খোরশেদ আলম দুদু, আবদুর রাশেদ রাশু, কুতুবউদ্দিন মাহমুদ, আবদুল মোতালিব, আবদুল আউয়াল মিলন (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ) ও মোঃ মোহর আলী চৌধুরী।

পাকিস্তানের সামরিক প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ও পিপলস্ পার্টির নেতা জুলফিকার আলী ভূট্টো ঢাকা এসে বঙ্গবন্ধুর সাথে আলোচনার নামে প্রহসন করে বাঙালীদের উপর আক্রমনের জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করে। ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তান বাহিনী ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইট এর নামে আক্রমন শুরু করে। অর্থাৎ আধুনিক অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে রাজারবাগ পুলিশ লাইন, পিলখানা ইপিআর হেড কোয়াটার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলসমূহে ও সমগ্র ঢাকা শহরে গণহত্যা, অগ্নি সংযোগ এবং ধর্ষনসহ ইতিহাসের জঘন্যতম আক্রমন করে। বঙ্গবন্ধুর বাসভবন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে। নারায়ণগঞ্জের সংগ্রামী জনতা চরম ক্ষোভে রাতেই স্বাধীনতার শ্লোগান দিয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।

ঢাকা জেলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ রাতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে পাকিস্তানী বাহিনীকে নারায়ণগঞ্জে প্রবেশ করতে দেয়া হবেনা, সশস্ত্র প্রতিরোধ করা হবে। সে অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জের সংগ্রামী জনতা রাস্তায় ব্যারিকেড সৃষ্টি, ট্রেনের মাল বহনের বগি ১নং, ২নং রেল গেইটস্থ লাইনের উপর স্থাপন, নৌকা, লঞ্চ ও স্টিমার নদীর ঘাট থেকে সরিয়ে রাখা, চাষাঢ়া থেকে রেল লাইন উপড়ে ফেলা ও নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা সড়ক পথ মাঝে মধ্যে কেটে এবং বড় বড় গাছ ফেলে প্রতিরোধ সৃষ্টি করে।

২৬ মার্চ সকালে সংগ্রাম পরিষদ নারায়ণগঞ্জ এসডিও (মহকুমা পুলিশ কর্মকর্তা) অফিসের মালখানার অস্ত্র লুন্ঠন করে নিজেদের আয়ত্তে নিয়ে নেয়। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে ডিএসএস ক্লাবের মাঠে সশস্ত্র প্রশিক্ষণ গ্রহনকারীদের অংশগ্রহণে নারায়ণগঞ্জের সংগ্রামী জনতা নারায়ণগঞ্জ প্রবেশ মুখে ৩ (তিন) ভাগে বিভক্ত হয়ে পাক বাহিনীকে নারায়ণগঞ্জে প্রবেশে সশস্ত্র প্রতিরোধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

১. মাসদাইর কবরস্থান ও শ্মশান এলাকায় (নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা রাস্তার উত্তর পাশে) ২. নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা রাস্তার পশ্চিম ও দক্ষিণ পার্শ্বে জামতলা, মাসদাইর এলাকায় এবং ৩. তোলারাম কলেজের সামনে পুলিশ ফাঁড়ি ও কুন্ডবাড়ী এলাকায়।

এই তিনটি পয়েন্টে ২৬ মার্চ সকালে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশানুযায়ী যার যা কিছু ছিল তাই নিয়ে হাজার হাজার নারায়ণগঞ্জবাসী ও তার আশেপাশে সংগ্রামী জনতা পাক বাহিনীকে প্রতিরোধে দীপ্ত শপথ গ্রহণ করে সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে অবস্থান নেয়। পাকবাহিনী ২৬মার্চ রাতে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে রওনা দেয়।

নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা রাস্তার আশেপাশে অগ্নিসংযোগ, ব্যারিকেড অপসারণ ও অসংখ্য গুলি করতে করতে ২৭ মার্চ সকালে ফতুল্লার পঞ্চবটি এসে উপস্থিত হয়। রাইফেল, বন্দুক, পিস্তল, বোতল ককটেল এবং তীর ধনুকসহ প্রতিরোধ বাহিনীও অসীম সাহসিকতার সাথে তাদের নির্দিষ্ট অবস্থান থেকে আক্রমনের জন্য প্রস্তুত। বিশ্বের সেরা সেনাবাহিনীকে নারায়ণগঞ্জে প্রতিরোধে উল্লেখিত অস্ত্র একেবারেই অপ্রতুল। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা এবং স্বাধীনতার আকাঙ্খার বলিষ্ঠ মনোবলই প্রতিরোধ বাহিনীর মূখ্য হাতিয়ার।

পঞ্চবটি থেকে নারায়ণগঞ্জে প্রবেশের জন্য ধীর গতিতে পঞ্চবটি ও শ্মশানের মাঝখানে কালভাটের উপরে পাক বাহিনী উপস্থিত হতেই সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে সশস্ত্র প্রতিরোধ বাহিনীর অস্ত্র পাক বাহিনীর উপর গর্জে উঠে। পাকবাহিনী মূহুর্তের মধ্যে গাড়ী থেকে লাফিয়ে পড়ে এলোপাথারী ব্রাশ ফায়ার করতে থাকে। সম্পূর্ণ এলাকা যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়। পাকবাহিনীর গুলিতে ৪ (চার) জন শহীদ ও অসখ্য আহত হয়। নামমাত্র অস্ত্র দিয়ে কেবল মনোবলের জোরে ২৭ মার্চ সকাল ১০ টাকা থেকে সন্ধ্যা রাত পর্যন্ত প্রতিরোধ বাহিনী নারায়ণগঞ্জে প্রবেশে পাকবাহিনীকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়।

এসময়ের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের হাজার হাজার নারী-পুরুষ-শিশু নারায়ণগঞ্জ শহরের আশে পাশে এলাকায় নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে সমর্থ হয়। মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভেই উল্লেখিত প্রতিরোধ যুদ্ধের মাধ্যমে আবারও নারায়ণগঞ্জবাসী দেশব্যাপী প্রশংসা অর্জন করে। নারায়নগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে স্বাধীনতার লক্ষ্যে অসহযোগ আন্দোলনে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের প্রধান দপ্তর রহমতউল্লাহ্ মুসলিম ইনষ্টিটিউট, ভূইয়া মার্কেট, দেওভোগ ন্যাশনাল ক্লাব, ২৮ মার্চ পাকবাহিনী আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। ‘৭১-এর সশস্ত্র প্রতিরোধ যুদ্ধে ডি.এস.এস ক্লাবের মাঠে প্রশিক্ষন এবং ন্যাশনাল ক্লাবের পেছনে প্রশিক্ষন স্বাধীনতার ইতিহাসে নারায়ণগঞ্জবাসীর পক্ষে অম্লান হয়ে থাকবে। অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে আরও অসংখ্য নেতাকর্মীসহ সকলের অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতা আব্দুল আউয়াল মিলনসহ সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর