প্রেমে নয় ছয়ে ধর্ষণ


স্পেশাল করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ১০:৪১ পিএম, ১১ জুন ২০২১, শুক্রবার
প্রেমে নয় ছয়ে ধর্ষণ

সম্পর্কটা হয় রঙ নাম্বার কিংবা বিভিন্ন মাধ্যমে। রঙ নাম্বার থেকে ভুল প্রেম। তার পরে দীর্ঘদিন প্রেম ভালোবাসা। কখনো ফোনে কখনো সামনাসামনি। যাওয়া হয় ঘুরতে। এভাবে করতে করতে এক সময়ে সম্পর্কটা জড়িয়ে যায় শারীরিক পর্যায়ে। উভয়ের সম্মতিতেই মিলন ঘটে। কেউ কাউকে আশ্বাস দেয় বিয়ের। আর সেই বিয়ের ঘর বাধার স্বপ্নেই দিনের পর দিন রঙ্গলীলা চলতে থাকে। প্রযুক্তির আধুনিক যুগে এখন মোবাইলে ভিডিও কলেও চলে কুরুচিপূর্ণ প্রেম আদান প্রদান। কখনো কখনো প্রেমিকা জামা খুলে প্রদর্শন করেন নিজের অঙ্গ। তিনিও বিশ্বাস করেন প্রেমিকের উপর। ‘তারা অচিরেই বিয়ে করবেন’ মরীচিকার ফাঁদে পড়লেও ঘুণাক্ষরে বুঝতে পারেন না। প্রেমিকও কৌশলে সেই ভিডিও কল রেকর্ড করে রাখেন। কিন্তু মাঝপথে কোন কারণে সম্পর্কে নয় ছয় আর কলহ দেখা দিলেই ঘটে যায় বিপত্তি। ভাঙার উপক্রম হয় প্রলোভনে থাকা এক স্বপ্নের সম্ভাবনার। এতদিন ধরে উভয়ের সম্মতিতে যে সম্পর্ক ছিল শারীরিক সেটা হয়ে উঠে অনৈতিক। পরিবারের লোকজন যখন একে অন্যকে বুঝাতে ব্যর্থ হয় তখন ধর্ষণের অভিযোগ তোলা হয় পুরুষের বিরুদ্ধে। এরই মধ্যে কেউ কেউ সেই ভিডিও দেখিয়ে চালাতে থাকে সম্পর্ক। কিন্তু যখন সুরহা হয় না অনিশ্চিত ভবিষ্যতের পথ দেখতে তখন ঠুকে দেওয়া হয় মামলা। কেউ গ্রেপ্তার হয় কেউ হয় না। গত কয়েক মাসে নারায়ণগঞ্জে অনেক ধর্ষণের মধ্যে প্রেম ঘঠিত ধর্ষণের সংখ্যাও বেড়ে গেছে আশঙ্কাজনকহারে। জোরপূর্বক ধর্ষণের সঙ্গেই বাড়ছে প্রেমের ধর্ষণের ঘটনাও।

ঘটনা খুঁজতে গিয়ে দেখা গেছে, শিশু ও অপ্রাপ্ত বয়স্ক যেমন ধর্ষণের শিকার হচ্ছে তেমনি আবার প্রাপ্ত বয়স্করাও থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দিচ্ছেন। কয়েকটি স্থানে শিশু ও অপ্রাপ্তদের জোর করে ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়। বিপরীতে আবার প্রেমের বিয়ের প্রলোভনেও ধর্ষণের অভিযোগ তোলা হচ্ছে।

তাছাড়া আরো কিছু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে। বাসায় কিংবা সংশ্লিষ্টের সঙ্গে যাতায়াতের সূত্র ধরে সম্পর্ক গভীর পর্যায়ে যাওয়ার সময়েই ঘটে ওই ধর্ষণের ঘটনা।

যা বলেন পুলিশ সুপার

আরে আগে এক অনুষ্ঠানে ধর্ষণ প্রসঙ্গে এসপি জায়েদুল বলেন, বেশীরভাগ ধর্ষণের অভিযোগ এমন যে অবিবাহিত নারী যাদের আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল কেউ দেখে ফেলায় ধর্ষণ মামলা দেয়া হয়েছে। কোন ধর্মে আছে বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক করার কথা? ১৮ বছরের নিচে যারা আছে প্রেম করে শারীরিক সম্পর্ক করে পরে সব দোষ পুলিশের হয়। পুলিশ যদি জানতো গিয়ে বলতো কে কে প্রেম করো শারীরিক সম্পর্ক কইরো না। পরিবার সমাজকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। যে ছেলে একাধিক মেয়ের সাথে সম্পর্ক করে যখন কাউকে পায় না জোর করে তখনই সে ধর্ষণ করে।

বন্দরে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণ

মোবাইলের মাধ্যমে পরিচয় হয়ে প্রেমের সম্পর্ক হয় দুই বান্ধবীর সঙ্গে মো: সিফাত ও সিফাত হোসেনের। ৮ জুন বিকেলে নবীগঞ্জ মাজার দেখার জন্য দুই বান্ধবী বাসা থেকে বের হয়। সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ খেয়াঘাটে আসামি ৫ জনের সঙ্গে দেখা হয়। পরে ঝালমুড়ি খাওয়ানোর কথা বলে সাকিবের বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে দুই বান্ধবীকে মো: সিফাত ও সিফাত হোসেন ধর্ষণ করে এবং সাকিব, নাঈম ও শাকিল বাহিরে পাহারায় ছিল।

পুলিশ কর্মকর্তার ভিডিও ভাইরাল

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হোয়াটস অ্যাপে নারী পুলিশ কনস্টেবলের (২৪) আপত্তিকর ভিডিও ও ছবি ভাইরাল করার অভিযোগে রাজধানীর মগবাজার থেকে হৃদয় খান নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ৩ জুন রাতে ফতুল্লা মডেল থানায় ওই নারী কনস্টেবল তার প্রেমিক হৃদয় খানের বিরুদ্ধে মামলা করেন

ওই নারী কনস্টেবল ফতুল্লার চাঁদমারী এলাকার বাসিন্দা এবং কক্সবাজার জেলা পুলিশে কর্মরত আছেন। হৃদয় ওই নারী কনস্টেবলের সম্পর্কে আত্মীয় হন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, দুই বছর যাবত হৃদয় এবং নারী কনস্টেবলের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছে। হোয়াটস অ্যাপে একাধিকবার ভিডিও কলে কথা বলেছেন তারা। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে হৃদয় ওই নারী কনস্টেবলের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও দেখেন এবং গোপনে তা রেকর্ড করে রাখেন। এছাড়াও সরাসরি দেখা হওয়ার পর ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের কিছু ভিডিও ধারণ করে হৃদয়। পরে সম্পর্কের টানাপোড়েন হলে অনেকের নম্বর সংগ্রহ করে হোয়াটস অ্যাপে বিডি পুলিশ নামে গ্রু খুলে ওইসব ভিডিও ও ছবি গ্রুপে ছেড়ে দেন হৃদয়। পরে তা ভাইরাল হয়।

প্রেমের ফাঁদে শ্রমিককে ধর্ষণ : বন্দরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে নারী গার্মেন্টস শ্রমিককে (১৯) ধর্ষণের অভিযোগে জিসান (২০) নামের শ্রমিককে ১ জুন গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রং নাম্বারে পরিচয় থেকে ধর্ষণ : ফতুল্লায় প্রেমিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে ৯ মে হেলাল নামে তরুণেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মোবাইলের রং নাম্বারে দুই মাসের পরিচয়ে ফারজানা আক্তার লিজা ও হেলালের মধ্যে প্রেম ভালোবাসা হয়। বিয়ের প্রলোভনে তারা একাধীকবার শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হয়।

প্রেমের ফাঁদে যুবতীকে ধর্ষণ : বন্দরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে দিন দুপুরে ১৮ বছরের যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে নয়ন শীলের বিরুদ্ধে। ৫ মে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। যুবতীর মা জানান, শীল একই বাড়ী ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করার সুবাধে আমার মেয়ের সাথে তার পরিচয় হয়। ৫ মে সকালে প্রতিদিনের মত আমি ও আমার স্বামী জীবিকার তাগিদে আমরা কর্মস্থলে যাই। ওই সুযোগে নয়ণ শীল আমার মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মেয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে।

স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ : দেওভোগে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে রামু চন্দ্র বর্মণ (৪০) নামে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে ১ মে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। স্কুল ছাত্রীর মা বলেন. ‘সংসারে অভাব অনটনের কারণে বিভিন্ন সময় দুবাই জুয়েলার্সে স্বর্ণ বন্ধক দিয়ে টাকা নিতেন ভুক্তভোগী স্কুল ছাত্রীর মা। সেই সূত্রে তাদের সঙ্গে পরিচয় হয় রামুর। গত ২৮ এপ্রিল দুপুরে স্কুল ছাত্রীর মা বাসায় না থাকায় ছাত্রীকে বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণ করে।

ফতুল্লায় স্কুল ছাত্রী : ২৫ এপ্রিল ফতুল্লায় ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ধর্ষক ফরহাদকে (২১) গ্রেফতার করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। স্কুল ছাত্রীর পরিবার ও গ্রেফতারকৃত ফরহাদের পরিবার এক সময় মধ্যধর্মগঞ্জ এলাকায় পাশাপাশি বাসায় ভাড়ায় বসবাস করতো। ফরহাদ তার মেয়েকে প্রায় সময় প্রেমের প্রস্তাব দেওয়া সহ উত্ত্যক্ত করতো। ১৬ এপ্রিল ফরহাদ বাসায় প্রবেশ করে মেয়েকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করেছে।

প্রতিবন্ধী নারীকে দফায় দফায় ধর্ষণ : ফতুল্লার পাগলায় ৩৫ বছর বয়সী স্বামী পরিত্যাক্তা প্রতিবন্ধী নারী ধর্ষণের শিকার হয়ে গর্ভবতী হয়ে পরেছে। এ ঘটনায় ধর্ষিতা প্রতিবন্ধী নারীর ভাই বাদী হয়ে খলিলুর রহমান (৪২) ও মো. রাসেলকে (৪৩) আসামী করে ২১ এপ্রিল রাতে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে।

বাদীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, ধর্ষকের তাদের পাড়া প্রতিবেশী। সে সুবাধে ধর্ষকেরা তাদের পূর্ব পরিচিত। মাঝে মধ্যে তার বাবা মা প্রয়োজনীয় ওষুধ আনার জন্য ধর্ষক খলিলুলের দোকানে পাঠাতো। এ সময় ধর্ষক খলিলুর রহমান তার বোনকে ফুসলিয়ে ওষুধের দোকানের পেছনে রুমে নিয়ে গিয়ে রোগীদের শোবার বেডে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে প্রায় সময় তার বোনকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষক খলিলুর তার বোনকে ধর্ষণ করতো। ৩১ জানুয়ারী তারিখ সন্ধ্যায় তার বোনের বাসায় যাবার পথে পাশের বাড়ীর বজলুর রহমানের পুত্র রাসেল তার বোনকে ফুসলিয়ে নিজ বাসায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।

ধর্ষণের অভিযোগে প্রেমিক গ্রেফতার : আড়াইহাজারে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে প্রেমিক জুয়েলকে (২৫) গত ১২ এপ্রিল গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নবম শ্রেণির ওই প্রেমিকাকে স্কুলে যাওয়া আসার পথে নানা প্রলোভনে প্রেমের সম্পর্কে জড়ায় জুয়েল। ১০ এপ্রিল সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে রাত ১১টায় ছেলের আহবানে তার বাড়িতে সাক্ষাতে গেলে শারীরিক সম্পর্কে জড়ায় জুয়েল।

অশ্লীল ভিডিও দেখিয়ে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা : বন্দরে অশ্লীল ভিডিও দেখিয়ে মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ৭ এপ্রিল শওকত মিয়াকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই মাদ্রাসা ছাত্রী ও শওকত মিয়া আত্মীয়। ২৯ মার্চ রাতে দুইজন একই বাসায় ছিলেন। ৩০ মার্চ রাত সাড়ে ১২টায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে ঘুম থেকে তুলে অশ্লীল ভিডিও দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

ফতুল্লায় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ : ফতুল্লায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গার্মেন্টকর্মী তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে লম্পট প্রেমিকরুপি এক যুবক। ১ এপ্রিল সকালে ওই তরুণীর অভিযোগে লম্পট প্রেমিকের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। আত্মগোপনে থাকা লম্পট প্রেমিকের নাম সোহাগ (৩৩)। বিসিক এলাকায় একটি হোসিয়ারী কারখানায় কাজ করেন ওই তরুণী। পাশের আরেকটি কারখানায় কাজ করেন সোহাগ। এতে তাদের মধ্যে পরিচয় ও প্রেম ভালোবাসা হয়। ভালোবাসায় তরুনীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময় একাধীকবার ধর্ষণ করে সোহাগ।

গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় ভন্ড কবিরাজ আটক : বন্দরে এনায়েতনগর এলাকার নববধূর সনাতন ধর্মাবলম্বী রীতিনীতি অনুযায়ী বিয়ে হয়েছে সম্প্রতি। তাদের সন্তান না হওয়ায় ৪ ফেব্রুয়ারী দুপুরে এনায়েত নগর আউয়াল ডাক্তারের বাড়ির পাশে থাকা মৃত আসাদ আলির ছেলে ভন্ড কবিরাজ কামাল হোসেনের কাছে চিকিৎসা নিতে যায়। সেখানেই তার পেটে মালিশ করার কথা বলে ঘরের দরজা বন্ধ করে গৃহবধূকে (১৮) জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

ভাবী ডেকে দোকানীকে ধর্ষণ : ইসদাইর অক্টো অফিস মসজিদ সংলগ্ন বাদীর স্বামীর একটি চায়ের দোকান রয়েছে। সেই সুবাধে সাদেক তার পূর্ব পরিচিত এবং তাকে ভাবী বলে ডাকে। পরিচয়ের সূত্র ধরে বিবাদী সাদেক একাধিক বার তাকে তার সাথে রাত্রি যাপনের প্রস্তাব দিলে সে তা প্রত্যাখান করে। ১৬ মার্চ রাত ১১টায় সে চায়ের দোকান বন্ধ করে বাসায় থাকা তার স্বামীর জন্য মাসদাইর থেকে বিরিয়ানী কিনে পায়ে হেঁটে বাসায় যাবার পথে সাদেকের দোকানের সামনে পৌছা মাত্র উক্ত বিবাদীরা তার হাত ধরে টেনে দোকানের ভিতর নিয়ে যায়। সেখানে ভুলু ও আলীর সহযোগীতায় সাদেক ধর্ষণ করে।

প্রেমিকাকে ধর্ষণ : আড়াইহাজারে বাড়িতে কেউ না থাকার সুবাধে প্রেমিকাকে বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে ৮ মার্চ প্রেমিক আশিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ৩ মাস আগে ফকির বাড়ী এলাকায় ভাই ভাই স্পিনিং মিলের মহিলা শ্রমিককে (১৮) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরাফেরার নাম করে একই মিলের গাড়ী চালক আশিক (২৫) একাধিক বার ধর্ষণ করে। শ্রমিক অন্তঃস্বত্ত্বা হয়ে পড়লে সে আশিককে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। আশিক বিয়ে করতে রাজী না হলে ধর্ষিতা নিজে বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ : রূপগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দ্বিতীয় বর্ষের এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ধর্ষণের অভিযোগে ৬ মার্চ ইয়াছিন মিয়া (২৮) নামে যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই শিক্ষার্থী একটি স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে লেখাপড়া করে আসছিল। গত ১ বছর আগে ইয়াছিন মিয়ার সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত ৩ মাস আগে ইয়াছিন মিয়া বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলে। পরে ওই শিক্ষার্থী ইয়াছিন মিয়াকে বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করলে সে নানা টালবাহানা শুরু করেন। গত ২০ ফেব্রুয়ারি ইয়াছিন মিয়া ওই শিক্ষার্থীকে এক আত্মীয়ের বাড়িতে দেখার করার কথা বলে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর