ব্রিজ যেন মরণ ফাঁদ


স্টাফ করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ১১:০৪ পিএম, ১৬ অক্টোবর ২০২১, শনিবার
ব্রিজ যেন মরণ ফাঁদ

আমরা এই ব্রিজে ডেইলিই আড্ডা দেই। একদিন রাতে বইসা গেমস খেলতাসি। হঠাৎ একটা মোটরবাইক ব্রিজে উঠলো। মনে হয় এলাকায় নতুন আসছিলো। ব্রিজ যে ভাঙ্গা ওইটা জানতো না। গাড়ির গতি বেশী ছিলো না। কিন্তু অন্ধকারে গর্তের ভেতর পইরা গেছে। এরপর গাড়ি গেছে একদিকে, চালক গেছে আরেকদিকে। হুন্ডা উল্টায়া পল্টি খাইয়া পড়ছে। যে চালাইতাছিলো হেয়ও ব্যাথা পাইসে অনেক। হাঁটু, কনুই ছুইল্লা গেছিলো। এমন বহু এক্সিডেন্ট হইসে এই ব্রিজে।

বলছিলেন স্থানীয় তরুণ রাসেল।

বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নং ওয়ার্ডের চন্ডিতলা-কুশিয়ারা সড়কের মাঝে অবস্থিত ভাঙ্গা ব্রিজে দুর্গতির কথা তুলে ধরছিলেন তিনি। মূলত স্থানীয়দের চলাচল বেশী হওয়ায় সকলেই এর সম্পর্কে অবগত। কিন্তু যারা নতুন এই সড়কে প্রবেশ করেন তারা প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হন এই ব্রিজে।

সরেজমিনে ব্রিজে উঠে দেখা যায়, ব্রিজের মাঝ বরাবর বিশাল গর্ত। বেরিয়ে আছে ভেতরের রড। প্রায় ১২ ফুট প্রশস্থ ব্রিজের সাড়ে পাঁচ ফুট অংশ জুড়ে তৈরী হয়েছে বিশাল গর্ত। ব্রিজে উঠে যানবাহন চলছে এক পাশ দিয়ে। চলাচলে অসতর্ক হলেই গর্তে পরে ঘটবে বড় ধরণের দুর্ঘটনা। বিশেষ করে দ্রুতগামী সিএনজি এবং মোটরসাইকেলের জন্য এক মরণফাঁদ হিসেবে আবির্ভুত হয়েছে এই গর্তটি।

স্থানীয় পথচারী রফিক বলেন, প্রায় ৩ বছর ধরে এখানে গর্ত। এই ব্রিজে আরও ২টি গর্ত ছিলো। সেগুলো সংস্কার করা হয়েছে বিভিন্ন সময়ে। এখনও একটি গর্ত সংস্কার করার চিহ্ন স্পষ্ট বোঝা যায়। এই গর্তে অনেক সিএনজি এবং মোটরসাইকেল চালক আহত হয়েছে। চেয়ারম্যান সংস্কার করার কথা বললেও এখন পর্যন্ত তা সংস্কার করা হচ্ছে না। বছরের পর বছর এমন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সকলের। এমন অবস্থা যে এলাকার নামই হয়ে গেছে ভাঙ্গা ব্রিজ।

এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হয় বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হয়। তবে তিনি তার মুঠোফোন রিসিভ করেনি। এরপর তার ব্যবহৃত নাম্বারে প্রতিবেদকের পরিচয় দিয়ে ক্ষুদেবার্তা প্রেরণ করা হলেও তিনি তার উত্তর দেননি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর