বীরকন্যা প্রীতিলতার ৮৮ তম আত্মাহুতি দিবস উপলক্ষে সভা


প্রেস বিজ্ঞপ্তি | প্রকাশিত: ০৯:৫১ পিএম, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার
বীরকন্যা প্রীতিলতার ৮৮ তম আত্মাহুতি দিবস উপলক্ষে সভা

বীর কন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ৮৮ তম আত্মহুতি দিবস উপলক্ষে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ টায় শহরের ২ নং রেলগেইটস্থ বাসদ র্কাযালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ন্ারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি সুলতানা আক্তারের সভাপতিত্বে আলোচনা করেন বাসদ নারায়ণগঞ্জ জেলা ফোরামের সদস্য আবু নাঈম খান বিপ্লব, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শিমুল, অর্থ সম্পাদক মুন্নি সরদার, বন্দর উপজেলার সদস্য ফাতেমা আক্তার মুক্তা, ফতুল্লা থানার সংগঠক ফয়সাল আহম্মেদ রাতুল, সরকারি কদম রসুল কলেজের সংগঠক সাইফুল ইসলাম।

নেতৃবৃন্দ বলেন, তৎকালীন পরাধীন ভারতবর্ষে জন্মগ্রহণ করে বীরকন্যা প্রীতিলতা বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে ভারতবর্ষকে স্বাধীন করার জন্য আত্মাহুতি দিয়েছেন। দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলেন বীরকন্যা প্রীতিলতা। প্রীতিলতা যেই দেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন স্বাধীন দেশের শাসকরা তার বিপরীতে দেশকে পরিচালনা করছে। দেশে আজ চরম ফ্যাসিবাদী শাসন চলছে, গনতন্ত্র নির্বাসিত। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন দিয়ে কন্ঠরোধ করা হচ্ছে। চরম দুঃখ দুর্দশার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে দেশের সাধারণ মানুষ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ছাত্র যুব সমাজ আজকে ধ্বংসের সম্মূখীন। বিভিন্ন ধরনের অপর্কমের সাথে যুক্ত হয়ে যাচ্ছে আজকের যুব সমাজ। এই অবক্ষয় রোধ করতে হলে এই ধরনের বড় মানুষদের কে সামনে নিয়ে আসা প্রয়োজন। অথচ সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রের দিক থেকে দিক থেকে এই ধরনের বড় মানুষদের সামনে নিয়ে আসা হয় না। এমন একটি সময় প্রীতিলতার সংগ্রামের শিক্ষা ছাত্র যুব সমাজের জন্য খুবই প্রয়োজন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনার কারণে সারা বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা আজকে স্থবির হয়ে আছে। সারা দুনিয়াই করোনার কারণে অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ তার ব্যতিক্রম না। করোনার কারণে আজকে শ্রমজীবি সাধারণ মানুষের সন্তানদের শিক্ষা জীবন আজকে হুমকির মুখে। সেক্ষেত্রে সরকারের কোন ধরনের উদ্যোগ নেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইন ক্লাস ও পরীক্ষা নিচ্ছে। অনলাইনে ক্লাস করার সামর্থ দেশের শহর কেন্দ্রীক অল্প কিছু শিক্ষার্থীর আছে। দেশের বৃহত্তর অংশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যথাযথভাবে এই শিক্ষা চালানোর সামর্থ নেই। শিক্ষার্থীদের ডিভাইস ও ডাটা কেনার সামর্থ নেই।

নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনার এই সময়ে সাধারণ মানুষের সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই শিক্ষার্থীদের বর্তমান বছরের বেতন-ফি মওকুফ, সরকারের তরফ থেকে নগদ আর্থিক সহযোগিতা প্রদান এবং অনাবাসিক ছাত্রদের বাসাভাড়াÑমেসভাড়া মওকুফের ব্যবস্থা না করলে বহু ছাত্রের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাবে। নেতৃবৃন্দ শিক্ষার্থীদের চলতি বছরের বেতন-ফি মওকুফ, অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মেসভাড়া-বাসাভাড়া মওকুফ ও নগদ সহযোগিতার জন্য সরকারের কাছে জোরদাবি জানান। নেতৃবৃন্দ একই সাথে দাবি করেন করোনার এই সময়ে ক্ষতিগ্রস্থ শিক্ষকদের জন্য রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে বিশেষ অর্থ সহযোগিতার ব্যবস্থা করার।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর