ভূমিদস্যুদের কারণে মালিকেরা প্রতিকার পাচ্ছে না


রূপগঞ্জ করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ১০:১৩ পিএম, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, রবিবার
ভূমিদস্যুদের কারণে মালিকেরা প্রতিকার পাচ্ছে না

রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়ায় বাংলাদেশ পুলিশ অফিসার্স বহুমূখী সমবায় সমিতি কর্তৃক বালু দ্বারা তিন ফসলী জমি, নীচু জমি, পুকুর, খাল, বিল, কবরস্থান ভরাট করার কার্যক্রমকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না মর্মে বাংলাদেশ সরকার, বসুন্ধরা গ্রুপ, পুলিশ মহাপরিদর্শক, জেলা প্রশাসক নারায়ণগঞ্জ, পুলিশ সুপার নারায়ণগঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট ১৮ জনের রুল নিশি জারী করে আগামী দুই মাসের মধ্যে বিস্তারিত তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শকের নির্দেশ প্রদান করেছেন। সেই সঙ্গে বালু ভরাট কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য নির্দেশ প্রদান করত: সংশ্লিষ্ট মৌজাসমূহে বালু ভরাট কার্যক্রমে ব্যবহ্নত পাইপ, সাইবোর্ডসহ ব্যবহ্নত মেশিন প্রভৃতি অপসারন নিশ্চিত করে ৩০ দিনের মধ্যে হাই কোর্টে আদেশ কার্যকর করার কমপ্লায়েন্স প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, নারায়ণগঞ্জকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

বিচারপতি জে.বি.এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ ২৬ সেপ্টেম্বর উক্ত আদেশ প্রদানসহ উক্ত আদেশ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আদালতের বিশেষ দূত মারফত প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন।

রীট পিটিশনটি শুনানী করেন তৈমূর আলম খন্দকার এবং তাকে সহায়তা করেন ব্যারিস্টার মার-ই-য়াম খন্দকার। শুনানী কালে তৈমূর আলম খন্দকার মহামান্য আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, সরকার, পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের নিস্কিয়তা ও মদদে ভূমিদস্যুরা রূপগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নের তিন ফসলী জমি, বিল, খাল, নীচু জমি ভরাট করে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটাচ্ছে। জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে জমির মালিকরা ধর্না দিয়েও কোন প্রতিকার পাচ্ছে না। এমতাবস্থায়, মহামান্য হাই কোর্টের হস্তক্ষেপ ছাড়া কৃষকের জমি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা যাচ্ছে না বলে এলাকাবাসী আদালতের শরনাপন্ন হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর