সেলিম ওসমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা ডিসির

স্টাফ করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ১০:০৯ পিএম, ১০ জানুয়ারি ২০২১ রবিবার

সেলিম ওসমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা ডিসির

‘আমি শিক্ষক পরিবারের সন্তান। আমার বাবা মা দুজনেই টিচার ছিলেন। আমার স্ত্রী টিচার আমার বোন টিচার আমার ভাইয়ের বৌ টিচার। আমার শ্বশুর টিচার ছিলেন। আমি শিক্ষক পরিবারের সন্তান সে হিসেবে শিক্ষকদেরকে মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে আমি বিবেচনায় রাখি। আমি আমার স্বল্প বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু এবং নারায়ণগঞ্জ কলেজকে গুরুত্ব দিতে চাই।’

কথাগুলো বলেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোস্তাইন বিল্লাহ। রোববার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ কলেজ প্রাঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত ছায়াছবি ‘বক্তাবলির কান্না’ এর প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রুমন রেজার সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন `বক্তাবলীর কান্না`র পরিচালক শাহজাহান শামীম, তৎকালীন ডেপুটি কমান্ডার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা তমিজ উদ্দিন রিজভী, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা বারিক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) রেবেকা সুলতানা, কলেজের শিক্ষক, গভর্নিং বডির সদস্য ও চলচ্চিত্রে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, `আমরা একাত্তরের কথা জানি। শুধু এটুকু বলব যে বঙ্গবন্ধু ফিরেছিলেন লন্ডন ও ইন্ডিয়ার কোলকাতা হয়ে। তাকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল তুমি ইরান দিয়ে তুরস্ক দিয়ে ফিরে আসো। ভুট্টো সাহেব এ কথা বলেছিলেন তিনিও তা করেনি। বঙ্গবন্ধুর চল্লিশ থেকে পয়তাল্লিশ পাউন্ড ওজন কমেছিল পঁচিশে মার্চ থেকে শুরু করে আট জানুয়ারি তিনি যখন মুক্তি পান এ সময়ে। একটি মানুষ তার জীবনের বারো থেকে চৌদ্দ বছর প্রায় জীবনের তিন ভাগের এক ভাগ সময় তিনি জেলে ছিলেন। সে বঙ্গবন্ধুর মাধ্যমে আমরা দেশটি পেয়েছি। দেশ পেয়েছি বলেই নারায়ণগঞ্জ কলেজ পেয়েছি। আমি গর্বিত এজন্য যে নারায়ণগঞ্জের মত একটি ঐতিহ্যবাহী জায়গায় সরকার আমাকে কাজ করার সুযোগ দিয়েছে। আমি অত্যন্ত গর্বিত এজন্য যে নারায়ণগঞ্জ কলেজের মত জায়গা দিয়ে আমি শিক্ষা কার্যক্রমের মধ্যে প্রবেশ করলাম। আমি প্রত্যাশা রাখি এখানকার যারা শিক্ষক আছেন তারা জাতির জনকের ন্যায় ত্যাগ ও মনমানসিকতা নিয়ে এখানকার ছেলেমেয়েদের শিক্ষা দান করবেন। বঙ্গবন্ধুকে যেন তারা জানেন মুক্তিযুদ্ধকে তারা যেন জানতে পারে। তাহলে প্রকৃত ভাবে নারায়ণগঞ্জকে আরও এগিয়ে নেয়া যাবে।`

তিনি বলেন, আগামী দিনে আমাদের জাতির পিতার যে স্বপ্ন ছিল সোনারবাংলা যেটি আমাদের প্রধানমন্ত্রী বাস্তবায়ন করছেন ভিশন ২০৪১ এর মাধ্যমে এবং মাঝখানে আমাদের ভিশন ২০৩০ আছে তা সম্ভব হবে। নারায়ণগঞ্জ কলেজকে এগিয়ে নেয়ার জন্য আমাদের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান সাহেব অনেক কাজ করেছেন আমি শুনেছি তার প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। গভর্নিং বডিতে যারা আছেন এবং যারা অতীত এবং ভবিষ্যতে ভূমিকা রেখেছেন এবং রাখবেন তাদেরকে আমি স্মরন করি। আমি প্রত্যাশা রাখি এখানকার পরিচালনা পর্ষদ এবং শিক্ষকদের নিয়ে আগামী দিনে একটি গ্রহণযোগ্য সুন্দর একটি কলেজ আমরা দাঁড় করাতে পারবো। আমার আহ্বান থাকবে আপনারা সহযোগিতা করবেন এবং আমি আমার পুরোটা দেয়ার জন্য প্রস্তুত আছি। সরকার আমাকে এখানে পাঠিয়েছে আপনাদের সেবা করার জন্য নারায়ণগঞ্জবাসীর কাজে আসার জন্য সে প্রত্যাশা আমার রইল।

তিনি আরো বলেন, আমরা একে অপরের সাথে কাজ করে এই কলেজকে এগিয়ে নেব। নারায়ণগঞ্জকে এগিয়ে নেব সে প্রত্যাশা রেখে জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হোক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে এবং আমরা ২০৩০ এসডিসি বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ ২০৪১ এর মধ্যে যেন নিশ্চিত করতে পারি তার জন্য আমাদের শিক্ষকরা অবদান রাখবেন সেই প্রত্যাশা রেখে আমার বক্তব্য শেষ করছি।


বিভাগ : মহানগর


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও