দুলাল মাসুদ কলঙ্কের তিলক

স্টাফ করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ১০:৪৯ পিএম, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ সোমবার

দুলাল মাসুদ কলঙ্কের তিলক

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় বিতর্কিত কর্মকা-ে মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সেক্রেটারী ও ২৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর দুলাল প্রধান এবং যুবলীগ নেতা খান মাসুদ দলের সুনাম ক্ষুন্ন করছে। সন্ত্রাসীপনা, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, ভূমি দস্যুতা সহ নানা অভিযোগের মধ্য দিয়ে এবার নিজেদের মধ্যে প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ানোর পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠে এসেছে। সেই ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজে দুলাল বাহিনীকে প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিতে দেখা গেছে। এভাবেই দিনের পর দিন ভয়কে পুঁজি করে বিশাল সামাজ্য গড়ে তুলেছেন। তাদের রাম রাজত্বে সবাই প্রজা; কাউকে তোয়াক্কা করার ফুসরত মিলেনা। যেকারণে এসব নেতারা একটু মনক্ষুন্ন হলেই অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বিশাল বাহিনী নিয়ে বেরিয়ে আসে। আবার বিতর্ক এড়াতে নিজেরা প্রকাশ্যে না আসলেও সেকেন্ড ইন কমান্ড দিয়ে কাজ করিয়ে নেন এসব বিতর্কিতরা।

৬ সেপ্টেম্বর বন্দরে ডিস ব্যাবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে খান মাসুদের বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠে। হামলায় আহত হয়েছেন খান মাসুদের বোন স্বপ্না বেগম, আসিফ ও অপুকে জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। যদিও পরবর্তীতের পাল্টা অভিযোগ তোলেন দুলাল প্রধান। তবে দুলাল বাহিনী প্রকাশ্যে খানবাড়ী এলাকার মোড়ে দেশিয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয়ার একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশিত হয়েছে।

ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, দুলালের ভাগ্নে ও মহানগর ছাত্রলীগ নেতা অনিক তালুকদার অপুর নেতৃত্বে বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে খান বাড়ি এলাকার সড়কের মোড়ে ছুটোছুটি করছে। সন্ত্রাসী বাহিনীর কারো হাতে বিশাল আকার তলোয়ার, কারো হাতে ধারালো ছুরি, হাত কুড়াল, রাম দা সহ বিভিন্ন অস্ত্র দেখা যায়।

ভিডিও ফুটেজের ব্যাপারে দুলাল প্রধান বলেন, ভিডিও ফুটেজের যা আছে তার বিষয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। যা আছে সেটা তো দেখা যাচ্ছে। তবে ঘটনার দিন পুলিশ প্রশাসের সামনে খান মাসুদের পক্ষের প্রায় এক দেড়শ লোকজন হাতে অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে সেখানে উপস্থিত ছিল। শুধু প্রশাসনের কারণে হামলা করতে পারে নাই। সেখানে আমাদের লোকজনও উপস্থিত ছিল তবে তাদের হাতে অস্ত্র ছিল কিনা আমার জানা নাই। হামলা প্রতিহত করার জন্য তারা কিছু ব্যবহার করেছে কিনা আমার জানা নাই।

স্থানীয়রা জানান, কোয়াবর অনুমতিপ্রাপ্ত শ্যামল দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর যাবত ডিস ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। প্রায় একবছর আগে থেকে শহরের পাইকপাড়া এলাকার কাউন্সিলর আব্দুল করিম ওরফে ডিস বাবুর লাইন বন্দরে ঢোকানোর জন্যে বিভিন্নভাবে পায়তারা চালিয়ে আসছে একটা সিন্ডিকেট। কয়েকমাস পূর্বে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে স্থানীয় সাংসদ সেলিম ওসমানের নির্দেশে ওই চক্রের অপতৎপরতা বন্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত জাপা নেতা আবুল জাহের সম্প্রতি মৃত্যুবরণ করার পর থেকেই পুনরায় সক্রিয় হয়ে ওঠে সেই সিন্ডিকেট। বিভিন্ন এলাকায় ডিসের কেটে দিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা সহ ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাসনাত রহমান বিন্দু ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন আহমেদ দুলাল প্রধানের লোকজন।

যুবলীগ নেতা খান মাসুদ অভিযোগ করে বলেন, দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে মাঠে নেমেছে এসব অনুপ্রবেশকারীরা। যেসব ব্যবসায়ীরা আগে থেকে এলাক্য ক্যাবল ব্যাবসা করে আসছেন তাদের পেটে লাথি দিয়ে ডিস বাবুর লাইন বন্দরে ঢুকতে পারে না উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, বিষয়টি মিমাংসার জন্য দুই পক্ষকে অফিসে ডাকেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোরশেদ আলম। কথামতো সার্কেল অফিসে যান। তাদের অনুপস্থিতিতে কাউন্সিলর দুলাল ও বিন্দুর নির্দেশে দুলালের ভাই রিপন প্রধান, জাকির প্রধান, সুমন প্রধান, ভাগ্নে অপু, মাদক ব্যবসায়ী কুদ্দুস, দিলা, জয়নাল, বাঘা ফয়সাল সহ ৩০/৪০ জন ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার বাড়িতে হামলা চালায়। এসময় তারা বাড়িতে থাকা একটা মোটর সাইকেল ও দরজা জানালা ভাংচুর করে। বাধা দিলে খান মাসুদের বোন স্বপ্না বেগম ও স্থানীয় আসিফ এবং অপুকে বেদম পিটিয়ে আহত করে। আহতদের জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। যারা এসব সন্ত্রাসী কর্মকা- করেছে তারা লেবাসধারী, অনুপ্রবেশকারী। আজকে যদি আমি প্রতিবাদ করতাম তারা একটা লোকও সুস্থ যেতে পারতোনা। সেই ক্ষমতা সেই যোগ্যতা আমার ছিল। কিন্তু আমি আমার লোকজনদের ফোন করে সবাইকে পাল্টা হামলা করতে নিষেধ করে দিয়েছি। আওয়ামীলীগ সরকারের ও দলের ক্ষতি করার জন্য সারা বাংলাদেশে যে খেলা হচ্ছে এটা তেমনই একটি ঘটনা।

দুলাল প্রধান বলেন, ওই দিন রাত ১২ টায় প্রায় ১শ থেকে দেড়শ ছেলেরা যাদের মধ্যে বেশিরভাগ কিশোর বয়সী তারা খান বাড়ির মোড় থেকে ডিসের তার কাটতে কাটতে আমার অফিস পর্যন্ত আসে। পাশের হোটেলের দোকানিকে মারধর করে মেসিন নিয়ে যায়। এরা বন্দরের মধ্যে কিছু হলেই রাম দা চাকু নিয়ে বেরিয়ে যায়। একারণে আমাদের এলাকার ছেলেরা এখানে জড় হয়েছিল। ওই দিকে খান মাসুধের ছেলেরা হামলা করে। এতে আমাদের ছেলেরা খান মাসুদের ছেলেদের প্রতিহত করে। পরবর্তীতে আমি এলাকার ছেলেদের বুঝিয়ে নিয়ে চলে আসি। আমরা শান্তি চাই, বন্দরের মধ্যে কোন বিশৃঙ্খলা চাইনা।

ছাত্রলীগ নেতা হাসনাত রহমান বিন্দু বলেন, শনিবার রাত ১০টায় খবর পেলাম কে বা কারা লেজারার্স এলাকা হতে আমার স্থাপিত ক্যাবল নেটওয়র্কের মেশিন ও তার কেটে নিয়ে গেছে। গভীর রাতে দেওয়ানবাড়ি এলাকা হতে আমার মেশিন চুরি ও তার কাটার সময় আমি পারভেজ মিয়ার ২ কর্মীকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশকে খবর দেই।

এই ঘটনার পরে ৭ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে বন্দর উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ সেলিম ওসমান ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমান এমপির নির্দেশে স্থানীয় নেতৃবৃন্দদের উপস্থিত থেকে বিরোধের অবসান করে তাদের (কাউন্সিলর দুলাল প্রধান, যুবলীগ নেতা খান মাসুদ ও ছাত্রলীগ নেতা হাসনাত রহমান বিন্দুকে) মিলিয়ে দেন এবং অতীত ভুলে আগামীতে দল চাঙ্গা ও আরো গতিশীল কিভাবে করা যায় তা নিয়ে কাজ করার আহবান জানান।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখানে কেউ দুধের ধোয়া তুলশি পাতা নন তা স্থানীয়দের সাথে কথা বলে ও অতীত রেকর্ড ঘাটলেই বুঝতে বাকি থাকেনা। একজন যদি হয় এক সের আরেকজন সোয়া সের। কথায় আছে চোরে চোরে মাসতুত ভাই। ভাগবাটোয়ারা কিংবা স্বার্থে আঘাত লাগলেই দোস্ত দুশমন হয়ে যায়। এখানেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।

জানাগে ছে, গত বছরের ১ আগস্ট রাতে গ্রেফতার হওয়া নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সেক্রেটারী সাইফউদ্দিন আহমেদ দুলাল প্রধান নিজেই ফেনসিডিল ব্যবসার কথা স্বীকার করেছেন। জেলা পুলিশের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ওই বছরের ২৫ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে কান্নাজড়িত কন্ঠে এক বৃদ্ধা ফরিদা বেগম কাউন্সিলর দুলারের শেল্টারে তার ছেলে জমি দখল করেছে বলে অভিযোগ করেন। ফরিদা বেগম বলেন, প্রতারণা করে কাউন্সিলর দুলালের সহযোগিতায় আমাদের সম্পত্তি আমার বড় ছেলে শফিউর রহমান ডেনটি এবং তানভীর আহমেদ সোহেলের নামে লিখিয়ে নেয়। এরপর থেকেই আমার উপর শুরু হয় অমানুষিক অত্যাচার। আমাকে আমার স্বামীর ঘরে থাকতে দিচ্ছে না। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, ভূমি দস্যুতা, সন্ত্রাসীপনা সহ নানা অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয় কিছুদিন পূর্বে মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে পরে মিথ্যাচার করে সংবাদ সমম্মেলন করে যা অডিও রেকর্ডের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মহানগর আওয়ামীলীগের নেতারা তার বাহিষ্কারের দাবি তোলেন।

অন্যদিকে ছাত্রলীগ থেকে যুবলীগ নেতা বনে যাওয়া খান মাসুদের বিরুদ্ধে রয়েছে অভিযোগের পাহাড়। জানা গেছে, ২০০৯ সালে আওয়ামীলীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বেপরোয়া হয়ে উঠে খান মাসুদ বাহিনী। ২০১৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী ছাত্রলীগ নেতা খান মাসুদ বাহিনী ও যুবলীগ নেতা কাজী জহির গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় খান মাসুদ বাহিনী অন্তত ২০টি যানবাহন, বন্দর ডর্ক ইয়ার্ড ও দু’টি দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। সংঘর্ষ চলাকালে তিন নারী পথচারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়।

২০১৫ সালের ২৮ নভেম্বর বন্দর সেন্ট্রাল খেয়াঘাট এলাকায় খান মাসুদের দখলকৃত অবৈধ বাজার, বেবীট্যাক্সি, টেম্পু ও অটোরিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ। তবে কিছুদিনের ব্যবধানে আবারো সেই স্ট্যান্ড দখল করে নেয় খান মাসুদ বাহিনী।

২০১৬ সালের ১০ জানুয়ারী বন্দর সেন্ট্রাল খেয়া ঘাট সংলগ্ন ময়মনসিংহ পট্টির সামনে বালু সন্ত্রাসী চাঁন মিয়া ও ছাত্রলীগ নেতা খান মাসুদ বাহিনীর মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সময় চাঁন মিয়া তার লাইসেন্স করা শর্টগান নিয়ে প্রকাশ্যে মহড়া দেন। ওই সময় খান মাসুদ বাহিনীর হাতেও অস্ত্র ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে।
ওই বছরের ২৪ এপ্রিল বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন বন্দরের গঙ্গাকুল মৌজায় অবস্থিত সৈয়দ ডকইয়ার্ড এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর মালিক নাহিদা আক্তারের পিতা নাসির আলম। তিনি অভিযোগ করেন, ছাত্রলীগ নেতা খান মাসুদ ও তার লোকজন শুধু ডকইয়ার্ড দখল করেই ক্ষ্যান্ত হননি ওই ডকইয়ার্ডের মূল্যবান সামগ্রীও লুটে নেয়।

২০১৬ সালের ৩০ জুন বন্দর উপজেলায় ‘বাংলা ডকইয়ার্ড’ নামে একটি বেসরকারী বাল্কহেড মেরামত ও নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানে চাঁদার দাবীতে ছাত্রলীগ নেতা খান মাসুদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠে। ওই সময়ে ৯ বছরের এক শিশু গুলিবিদ্ধ সহ আরো ৪জন আহত হয়। ওই সময়ে ডকইয়ার্ডে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়।

২ জুলাই সকালে বন্দর থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খান মাসুদকে চাঁদাবাজির এক মামলায় বন্দর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই অখিল উদ্দিন ফোর্স নিয়ে গ্রেফতার করতে যান। এ সময় ছাত্রলীগের ক্যাডার খান মাসুদ ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা ৩ পুলিশকে পিটিয়ে ওই এসআই’রর পিস্তল ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় ওই দিন দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোখলেসুর রহমানের নেতৃত্বে বন্দর থানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের দুই প্লাটুন পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে বন্দর লেজারার্স এলাকার দখলকৃত বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ছাত্রলীগ নেতা খান মাসুদের একাধিক আস্তানায় হানা দিয়ে ১৭টি ধারালো অস্ত্র ও ৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার করা হয় তার সহযোগী শামীম, সাচ্চু ও মোশারফকে। এক মাস পর খান মাসুদ জেল থেকে জামিনে বের হয়।

৩০ আগষ্ট সাড়ে ১১টার দিকে খান মাসুদ তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে বন্দর রুপালি আবাসিক এলাকায় বেবিস্ট্যান্ড দখলে নিতে শ্রমিক কমিটির সাইনবোর্ড ভাঙচুর করে নদীতে ফেলে দেয়। সভাপতি তপন খান বাদী হয়ে বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। ওইসময় সভাপতি তপন খানকে হত্যার হুমকি দেয় খান মাসুদ বাহিনী।

১৪ ফেব্রুয়ারী বন্দরে ছাএলীগ ক্যাডার খান মাসুদকে ৬ রাউন্ড গুলি ভর্তি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১১। এসময় খান মাসুদের আস্তানা থেকে গুলিভর্তি বিদেশী পিস্তল ছাড়াও মদ, বিয়ার, গান পাউডার উদ্ধার করেন।

গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর বন্দর স্কুলঘাটস্থ দেলোয়ার মিয়ার চায়ের দোকানে ছাত্রলীগ নেতা খান মাসুদের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ছাত্রলীগ নেতা দোলন হাসানকে (২৫) কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে জখম করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া একটি স্ট্যাটাস নিয়ে এ হামলার ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় খান মাসুদ বাহিনীর ৮ জনকে গ্রেপ্তার করে বন্দর থানা পুলিশ। আহত দোলন মূলত বন্দর থানা ছাত্রলীগের ক্রীড়া সম্পাদক মাইনুর পক্ষ নিয়ে কাজ করতো।


বিভাগ : রাজনীতি


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও