আইভীকে সমর্থন দিবেন ওসমান পরিবার!

স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৫:০৩ পিএম, ২৪ অক্টোবর ২০২০ শনিবার

আইভীকে সমর্থন দিবেন ওসমান পরিবার!

টানা তিনবারের জনপ্রতিনিধি সেলিনা হায়াৎ আইভী। একবার বিলুপ্ত পৌরসভার চেয়ারম্যান ও পরের দুইবার সিটি করপোরেশনের মেয়র। তিনটি নির্বাচনের মধ্যে ২০০৩ সালে পৌরসভা ও ২০১১ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বেশ ধকল পোহাতে হয়েছিল আইভীকে। প্রতিপক্ষ প্রতিদ্বন্দ্বি শক্তের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছিল। আর সবশেষ ২০১৬ সালের নির্বাচনেও ছিল গুপ্ত নানা ষড়যন্ত্র। কিন্তু তার পরেও নারায়ণগঞ্জবাসী তিনবারই বেছে নিয়েছে আইভীকে। ইতোমধ্যে নির্বাচনের ঢামাঢোল চলছে অন্তরালে। এখনো বাকি আরো এক বছরেরও বেশী সময়। তবে এ সময়েই আইভীকে নিয়ে কথা বলেছেন প্রভাবশালী এমপি সেলিম ওসমান।

তিনি বলেছেন, ইতোমধ্যে আমি সম্মানিত মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর সঙ্গে আমি কথা বলেছি। মেয়র মহোদয়কে আহবান করেছি আমরা এক টেবিলে বসার জন্য। মুরুব্বিদেরও বলেছি। প্রয়োজনে আমরা দুই ভাই বসবো। করোনা আমাদের অনেক শিক্ষা দিয়েছে। আমাদের অনেকেই মারা গেছেন। এখন আমরা দ্রুত চেষ্টা করবো নারায়ণগঞ্জের মানুষের সুখ শান্তির জন্য একটেবিলে বসার জন্য। কারণ আমরা অনেক ঝগড়া করেছি, অনেক গালমন্দ করেছি। আমরা জানি না এর পরে আমরা কাকে আনবো। এমনো হতে পারে তাঁর ভালো কাজের জন্য তাকে আমরা অনুরোধ করবো আবারো মেয়র হওয়ার চেষ্টা করো। কারণ এত লং টাইম একটা চেয়ারে বসে অনেক কিছু শিখতে পারে।

২২ অক্টোবর যখন সেলিম ওসমান ওই বক্তব্য দেন তখন তাঁর পাশেই বসা ছিলেন রাজনীতির কিং মেকার খ্যাত শিল্পপতি মোহাম্মদ আলী, মহানগর আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী খোকন সাহা ও সহ সভাপতি চন্দন শীল।

আগামী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন কদাচিৎ উচ্চারিত হয় এমপি শামীম ওসমানের সহধর্মিনী লিপি ওসমানের নাম। যদিও তিনি কখনই নিজের কণ্ঠে সেটা বলেননি। এমনকি এখনই রাজনীতি নামার কথাও জানায়নি। কিন্তু অনুগামীদের অনেকের প্রত্যাশা লিপি ওসমানকে অনুরোধ করবেন নির্বাচন করতে।

অপরদিকে সেলিম ওসমানের পাশে থাকা খোকন সাহাও সম্প্রতি আইভী সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, ২০১৬ সালের নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নেত্রী (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) মেয়র আইভীকে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমরা সবাই তার পক্ষে কাজ করেছি। কিন্তু সবচেয়ে দুঃখের যে বিষয়টা, আমার এই রাজনৈতিক জীবনে যে বিষয়টা সবচেয়ে লাগছে সেটা আমি বলতে চাই, যে যতটুকু কাজ করেছে তার ততটুকু সম্মান পাওয়ার যোগ্য। বিদ্যুৎ কুমার সাহা তার টিম নিয়ে কাজ করেছে মাহমুদা মালা কাজ করেছে। আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলালীগ সহ সবাই কাজ করেছে। শামীম ওসমানও কাজ করছে, ভালো কাজ করছে। আইভীকে পাশ করানোর জন্য যা যা দরকার তা তা করেছেন। দলের সিদ্ধান্তে আমরা মেয়রের জন্য কাজ করেছি। পুরান কোর্ট আমার চেম্বারের পাশে গাছতলায় বসে যা যা করার আমি সেখানে বসেই কাজ করেছি। আমার একটা আফসোস কি জানেন। আমরা যারা খাটলাম একটা ধন্যবাদও পাই নাই মেয়রের কাজ থেকে। এই বিষয়টা আমার মধ্যে খুব লাগছে। কিংবা উনি কোন দিন বলে নাই কিংবা একটা চায়ের দাওয়াতও দেন নাই। যে দল খাটছে একটু চা খেয়ে যান। এটা কিন্তু একটা আক্ষেপ থাকে, এটাও আমার একটা আক্ষেপ। আজকে রাজনীতির শেষ বয়সে এটাও আমার একটা আক্ষেপ। সে ডাকে নাই কি কারণে ডাকে নাই এটা তার ব্যাপার। কিন্তু নূন্যতম সৌজন্যবোধ আমি অন্তত আশা করেছিলাম। তবে আমার রাজনীতিক জীবনে নেত্রীর সিদ্ধান্তের বাইরে একটি পদক্ষেপ দেই নাই। নেত্রী যখন যা সিদ্ধান্ত দিয়েছে তখন তা করেছি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মেয়র আইভী ও সিটি করপোরেশনের কর্মকান্ডে আমার সন্তুষ্টতে কিছু যায় আসেনা। জনগণ তার মূল্যায়ন করবে। আমি মনে করিনা সিটি করপোরেশন জনগণের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। এখনো অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা রয়েছে। সে রাস্তা ঘাট কিছু ডেভেলপমেন্ট (উন্নয়ন) করেছে এটা সত্যি। আমার কথায় কেউ খুশি হোক কিংবা বেজার হোক তাতে আমার কিছু যায় আসেনা। নারায়ণগঞ্জের ড্রেনেজ ব্যবস্থা মারাত্মক খারাপ। ১৫ মিনিট বৃষ্টি হলে সারা শহর ডুবে যায়। আর আমার এলাকা তো নি¤œাঞ্চল ঘনবসতিপূর্ণ একটা এলাকা। আমার এলাকায় একটু বৃষ্টি হলে কোমড় সমান পানি হয়ে যায়। সামান্য বৃষ্টিতে আমার বাড়িতে হাটু পানি হয়ে যায়। আমার বাড়ির কথা না হয় বাদই দিলাম। শহরের পশ্চিমাঞ্চলটা আমি বলবো অবহেলিত। এগুলো তার (মেয়র আইভীর) করা উচিত ছিল দেখা উচিত ছিল। ড্রেন করছেন ২ ফিট পানিতো আসে ৫ ফিট। আমি বলবো, নগরায়ন পুরোপুরি পরিকল্পিতা না, অপরিকল্পিত। অপরিকল্পিত নগরায়নের জন্য অনেক কিছু ম্লান হয়ে যায়।

আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে বলেন, আসন্ন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নির্বাচন করার ইচ্ছে নেই। তবে দল ও নেত্রী (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) যদি মনে করেন তার নির্বাচন করা উচিত তবে নেত্রী ও দলের জন্য নির্বাচন করবো। এবং আমি বিশ্বাস করি আমার নেত্রী আগামী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করবেন না। নেত্রী অবশ্যই সারা দেশে নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করেন। নেত্রী অবশ্যই সত্যিকার ও ত্যাগী লোককে দলের মনোনয়ন দিবেন। দলের জন্য যে ভাল করে দলকে যে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে তাকে মনোনয়ন দিবেন আমি বিশ্বাস করি।

প্রসঙ্গত সেলিনা হায়াৎ আইভী প্রয়াত আলী আহম্মদ চুনকার বড় মেয়ে। আর আলী আহম্মদ চুনকা ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান। তার কন্যা ডাক্তার সেলিনা হায়াৎ আইভী ২০০৩ সালে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন বিগত বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের আমলে। ওই সময় তিনি নিউজিল্যান্ড থেকে এসে পৌরসভা নির্বাচন করেন এবং বিএনপির প্রার্থী নুরুল ইসলাম সরকারকে বিপুল ভোটে হারিয়ে পৌর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

পরে ২০১১ সাল থেকে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী মেয়র হিসেবে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। প্রায় আট বছর নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার দায়িত্ব পালন করার পর ২০১১ সালের ৩০ অক্টোবর তিনি এই সিটি করপোরেশনের এবং গোটা বাংলাদেশের প্রথম নারী মেয়র হিসাবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। তখন তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করেন। প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন শামীম ওসমান। পরে ২০১৬ সালের নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে আবারও বিপুল ভোটে জয়ী হন।

মূলত এভাবেই তিনি টানা উনিশ বছর ধরে প্রথমে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা এবং পরে নারায়ণগঞ্জে সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসাবে নির্বাচিত হয়ে এসেছেন।

জন্মভূমি বিডির একটি নিউজে উল্লেখ করা হয়, নারায়ণগঞ্জে প্রবীন ব্যক্তিদের মতে, নারায়ণগঞ্জ শহরকে একটি ধ্বংসস্তূপ থেকে একটি উন্নত শহরে রূপান্তর করেছেন এই নারী মেয়র। ব্যক্তিগত জীবনে কঠোর পরিশ্রমী মেয়র আইভী একটি অন্ধকার শহরকে একটি আলো জলমলে শহরে রূপান্তর করেছেন। তাই তার এই ১৯ বছরের ইতিহাস হবে এই জনপদের জন্য স্বর্ণযুগ। তাই আইভীর শাসনামল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে বলেই নারায়ণগঞ্জ শহরের অধিকাংশ মানুষ মনে করেন।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকার সকল পুরানো রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ সুবিধা গড়ে তোলা ছাড়াও তিনি বহু নতুন রাস্তা করেছেন। তিনি এমন সব জায়গা দিয়ে রাস্তা করেছেন যা অতীতে কেউ কল্পনাও করেননি। তার প্রতিটি মহৎ পদক্ষেপে প্রবল বাধা এসেছে, কিন্তু তিনি ছিলেন অনড় ও অবিচল।

তিনি এই শহরবাসীর জন্য এমন কিছু করে রেখে যাচ্ছেন যা কিনা এই শহরের নতুন প্রজন্ম বহুকাল পর্যন্ত সুফল ভোগ করবেন। সিটি করপোরেশনের নারায়ণগঞ্জ শহর ছাড়াও মেয়র আইভী বন্দর এবং সিদ্ধিরগঞ্জের চেহারা পাল্টে দিয়েছেন। ওই দুই এলাকায়ও তিনি রাস্তাঘাটের পাশাপাশি বহু মেগা প্রজেক্ট গড়ে তুলছেন। তিনি কেবল মানুষের স্বাচ্ছন্দে চলাচলের জন্য কেবল রাস্তাঘাট ব্রিজ কালভার্টের উন্নয়নই করেননি বরং তিনি পরিবেশ বান্ধব শহর গড়ে তোলার জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এই সিটি করপোরেশেনের পরিত্যাক্ত খাল, লেক ও পুকুরগুলো তিনি পুনরুদ্ধার করে রীতিমতো জনগনের বিনোদন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তুলছেন। রক্ষা করেছেন সিটি করপোরেশন এলাকার খেলার মাঠগুলি এবং এসব মাঠেরও ব্যাপক উন্নয়ন করে চলেছেন।

জিমখানা লেককে শেখ রাসেল পার্কে রূপান্তর, বাবুরাইল খাল পুনরুদ্ধার ও ব্যাপক ‍উন্নয়ন, সিদ্ধিরগঞ্জ খালের ব্যাপক উন্নয়ন, বন্দরের ত্রিবেনী খাল সহ অন্য খালের পরিবেশ বান্ধব ব্যাপক উন্নয়ন, মন্ডলপাড়া লেক সহ বহু খাল ও পুকুরের ব্যাপক উনয়ন করেছেন এবং করে চলেছেন মেয়র আইভী।

সর্বশেষ শহরের উত্তরে গঞ্জেআলী খালের কাজও ইতোমধ্যে শুরু করেছেন তিনি। খালগুলোকে তিনি কেবল উন্নয়ন করেই ক্ষ্যান্ত হচ্ছেন না বরং এসবকে তিনি এই শহরের মানুষের বিনামূল্যে বিনোদন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তুলেছেন। লেক ও খালপারে তিনি লাগাচ্ছেন বিপুল পরিমান গাছ। দেওভোগ ও জিমখানার শেখ রাসেল পার্ককে তিনি এমন একটি পার্ক হিসাবে গড়ে তুলেছেন যে এই লেকপারে গেলে প্রাণ জুরিয়ে যায়। ফলে এক কথায় বলা চলে একটি ইট পাথরের শহরেকে তিনি গাছপালায় ভরা প্রচুর অক্সিজেনেরে শহরে রুপান্তর করার কন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি কেবল স্বাচ্ছন্দে চলাচলের ব্যবস্থাই করছেন না বরং শহরবাসী যাতে বুক ভরে নিঃশ্বাস নিতে পারে সেই ব্যবস্থাও করছেন। তিনি প্রাকৃতিক বিনোদন কেন্দ্রের বাইরেও আরো একাধিক বিনোধন কেন্দ্র গড়ে তুলেছেন।

সিটি করপোরেশনের নতুন নগর ভবন গড়ে তুলেছেন তিনি, সেটাও হচ্ছে শহরবাসীর জন্য আরো একটি অনবদ্য সৃষ্টি। বিশাল এই নগর ভবনে কেবল মেয়র কাউন্সিলর বা সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীরা বসে কাজই করবেন না, বরং ভবনের বিভিন্ন তলায় নান্দনিক বিনোদন কেন্দ্রও থাকছে। এই ভবনে গড়ে তোলা হচ্ছে মিউজিয়াম। আলী আহমদ চুনকা পাঠাগার এবং মিলনায়তনে শহরবাসীর জন্যে বিশাল লাইব্রেরী, হল এবং সিনেমা থিয়েটার গড়ে তোলা হয়েছে। সিটির অনেক প্রতিটি ওয়ার্ডে গড়ে তোলা হয়েছে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। আর এই সকল সেবা কেন্ত্রে এসে মানুষ সরকারী হাসপাতালের চেয়েও যতেœর সহিত উন্নত চিকিৎসা পাচ্ছে।

তাই এক কথায় বলা চলে মেয়র আইভী এক সময়কার গিঞ্জি শহর নারায়ণগঞ্জকে একটি বসবাসের উপযোগী স্বাস্থ্যকর শহরে রূপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। তবে এতো কিছু করার পরেও এক শ্রেনীর মানুষ কেবল তার সমালোচনা করছেন। এটাই স্বাভাবিক। যতো মহৎ নেতাই হোন না কেনো তিনি কখনোই সব মানুষের মন জয় করতে পারবেন না। এছাড়া একজন মানুষ হিসাবে তার কিছু ভুল ত্রুটিও থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এটাই হলো বাস্তবতা যে ইতিহাসে কখনো ভুল কিছু লিপিবদ্ধ হয় না। কেউ ইতিহাস বিকৃতি করতে চাইলেও তা কখনো ফলপ্রসূ হয় না। কারণ একদিকে যেমন ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না অপরদিকে তেমনি ইতহিাস করো অবদান তুলে ধরতেও কার্পন্য করে না।

আর এখনতো মিডিয়ার যুগ এবং সকলের চোখ কান খোলা। ফলে জোর দিয়ে পরিস্কার ভাষায় একটি কথাই বলা যায়, আর সেটা হলো নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ইতহাসে মেয়র আইভীর নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। একদিন তিনি থাকবেন না এটাই চির সত্য। কিন্তু এটাও সত্য যে কালের স্বাক্ষী হয়ে থাকবে মেয়র আইভীর নির্মিত স্থাপনাগুলি। যুগযুগ ধরে নগরবাসী তার এই মহান কীর্তির সুফল ভোগ করবেন বলেই সকলের বিশ্বাস।


বিভাগ : রাজনীতি


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও