কোথায় কিলার শাহজাহান সানা

স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ১০:৫৯ পিএম, ২৯ এপ্রিল ২০২১ বৃহস্পতিবার

কোথায় কিলার শাহজাহান সানা

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ৭ খুনের মামলায় নূর হোসেন ও ৯ সহযোগীরই নিম্ন আদালতে ফাঁসির রায় ঘোষণা করা হলেও পরবর্তীতে উচ্চ আদালত নূর হোসেনের ফাঁসির রায় বহাল রাখলেও সহযোগীদের যাবজ্জীবন দন্ডে দন্ডিত করেন। ৭ খুনের কিলিং মিশনে উপস্থিত থাকা নূরের ৯ সহযোগীর প্রত্যেকেই ছিল দুর্ধর্ষ। তাদের বেশীরভাগের নামেই অস্ত্রের লাইসেন্সও নিয়েছিল নূর হোসেন। নূর হোসেনের সঙ্গে বর্তমানে কারাবন্দী রয়েছেন কিলিং মিশনে থাকা ৭ সহযোগী। তবে আলোচিত ৭ খুনের এই ৭ বছর ধরেই পলাতক রয়েছে দুর্ধর্ষ কিলার বরিশাইল্যা শাহজাহান ও সানাউল্লাহ সানা। তারা বর্তমানে কোথায় আছে তা জানে না কেউই।

জানা গেছে, একসময়ের ট্রাক ড্রাইভার থেকে ভিন্ন এক রাজ্যের রাজা বনে যাওয়া ৭ খুনের মামলার প্রধান আসামী নাসিকের ৪ নং ওয়ার্ডের বরখাস্তকৃত কাউন্সিলর ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের বহিস্কৃত সহ সভাপতি নূর হোসেনের চলাফেরাও ছিল অনেকটা রাজকীয় স্টাইলে। নূর হোসেন যেখানেই যেতো সঙ্গে থাকতো তার বিশাল গাড়িবহর। যাতে থাকতো অন্তত ১৫ থেকে ২০টি গাড়ি। সঙ্গে বৈধ-অবৈধ অস্ত্রের বিশাল ভান্ডার। নিজের অনুগত ক্যাডার বাহিনীর সঙ্গে প্রশিক্ষিত গানম্যানতো থাকতোই। তার সাম্রাজ্যে অভিযান চালানোতো দূরের কথা বরং প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই সবকিছু চলতো।

২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারী সকাল ১০টা ৪মিনিট থেকে ১০টা ৯ মিনিট পর্যন্ত তৎকালীন নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সৈয়দ এনায়েত হোসেন আলোচিত ৭ খুন মামলার রায় ঘোষণা করেন। নারায়ণগঞ্জে আলোচিত সাত খুন মামলার প্রধান আসামী নাসিকের বরখাস্তকৃত কাউন্সিলর নূর হোসেন, র‌্যাবের চাকুরীচ্যুত অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব:) তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, উপ অধিনায়ক মেজর (অব:) আরিফ হোসেন ও ক্যাম্প ইনচার্জ লেফটেন্যান্ট কমান্ডার (অব:) এম এম রানাসহ ২৬ জনের ফাঁসির আদেশ দেন আদালত। বাকি ৯ জনের মধ্যে অপহরণ ও লাশ গুমের সঙ্গে জড়িত থাকায় এক আসামীকে ১৭ বছর, অপহরণের সঙ্গে জড়িত থাকায় ৬ জনকে ১০ বছর এবং লাশ গুমে জড়িত থাকায় ২ জনকে ৭ বছরের কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। পরে মৃত্যুদন্ড অনুমোদনের জন্য বিষয়টি হাইকোর্টে পাঠানো ছাড়াও রায়ের বিরুদ্ধে ২৮ আসামি হাইকোর্টে আপিল করেন। আসামিদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদন্ড অনুমোদন) ও আপিলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২০১৭ সালের ২২ আগস্ট ৭ খুনের মামলায় ১৫ জনের মৃত্যুদন্ড বহাল রেখে রায় দেন। হাইকোর্ট বিচারিক আদালতে মৃত্যুদ-াদেশ পাওয়া ১১ আসামির দন্ড পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন। ২০১৮ সালের ১৯ নভেম্বর দুই মামলায় মোট ১৫৬৪ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেন হাইকোর্ট। পরে আসামিরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যান। নূর হোসেনের ৯ সহযোগীর মধ্যে এখনো পলাতক রয়েছে ২ সহযোগী শাহজাহান ও সানাউল্লাহ সানা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নূর হোসেন বাহিনীর অন্যতম শাহজাহান ওরফে বরিশাইল্যা শাহজাহান ছিল সিদ্ধিরগঞ্জের মূর্তিমান আতঙ্ক। মাদকব্যবসা, চাঁদাবাজি, মারপিট, খুন, গুম, অপহরণসহ সব ধরনের অপরাধে ছিলেন সিদ্ধহস্ত। ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল আলোচিত ৭ খুনের ৬ বছর আগেও সিদ্ধিরগঞ্জের রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বিভিন্ন অপরাধ করতো শাহজাহান। শরিয়তপুর জেলার বরপা ইউনিয়নের সুতারকান্দি গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর পুত্র শাহজাহান থাকতো সিদ্ধিরগঞ্জের নয়াআঁটির লিটনের বাড়ীতে। মাসে ৯ হাজার টাকায় ভাড়া বাড়িতে বসবাস করা শাহজাহানের নিজস্ব কোনো বাড়ি ছিলনা। ছিলনা ব্যবসাও। যদিও স্বনামধন্য ব্যবসায়ী হিসেবে শর্টগানের লাইসেন্স (নং ৫১৭/১৩) পেয়েছিলেন তিনি। অথচ শাহজাহানের মা আলেয়া বেগম ৭খুনের ঘটনার ৬ বছর আগেও সিদ্ধিরগঞ্জের জেএমএস গ্লাস ফ্যাক্টরিতে মাত্র ৩ হাজার টাকা বেতনে শ্রমিকের চাকুরি করে মানবেতর জীবিকা নির্বাহ করেছেন। শাহজাহানের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় সিএনজি চালক আখতার উদ্দিন আস্তু হত্যা মামলা (নং ৩৬, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১) বিচারাধীন রয়েছে। ৭ খুনের পর থেকে এখনো পলাতক রয়েছে শাহজাহান।

৭ খুনের ঘটনার কয়েক বছর আগেও সিদ্ধিরগঞ্জে পানি বিক্রি করতো সোনারগাঁও উপজেলার আলসাদি গ্রামের জয়নাল পুত্র সানাউল্লাহ ওরফে সানা। খুন, গুম, অপহরণসহ সব ধরনের অপরাধে দক্ষ সানাউল্লাহ পেয়েছেন শর্টগানের লাইসেন্স (নং ৫৩৩/১৩)। যদিও ৭ খুনের কিছুদিন আগেও সানাউল্লাহ সানার পিতা জয়নাল আবেদিন জেএমএস গ্লাস ফ্যাক্টরিতে ৭ হাজার টাকা মাসিক বেতনে শ্রমিকের চাকুরি করে সংসার চালিয়েছেন। ওই গ্লাস ফ্যাক্টরিতে তখনো সানার ভাই নবী হোসেন চাকুরি করে খুব কষ্টে জীবিকা নির্বাহ করতো। ৭ খুনের ঘটনার আগে সানা শিমরাইল টেকপাড়ার আক্কেল আলীর বাড়িতে ৮ হাজার টাকায় ভাড়া থাকতো। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে পাঁচ-ছয়টি মামলা হয়। ৭ খুনের পর থেকে এখনো পলাতক রয়েছে সানাউল্লাহ ওরফে সানা।

কারাগারে থাকা নূরের ৭ সহযোগীও ছিল দুর্ধর্ষ। তাদের মধ্যে আবদুল হকের পুত্র আলী আহাম্মদ নারায়ণগঞ্জের রাস্তায় রাস্তায় শসা, আমড়াসহ মৌসুমী ফল বিক্রি করতো। নূর হোসেনের ক্যাশিয়ার হিসেবে কয়েক বছরের ব্যবধানে বড় ধরণের অপরাধী হয়ে উঠা আলী আহম্মদ এখন শর্টগানের লাইসেন্স (নং ৫৩২/১৩) পেয়েছিল। নানার বাড়িতে বড় হওয়া আলী আহমদের শসা, আমড়াসহ মৌসুমী ফল বিক্রির কথা এলাকার প্রায় সকলেই জানে। সংসার চালাতে আলী আহমদের মা জুলেখা বেগম সিদ্ধিরগঞ্জের খাবার দোকানে বড় কলস-এ করে পানি বিক্রি করেছেন। দীর্ঘদিন বসবাস করেছেন রাস্তার পাশের খুপড়িতে। ৭ খুনের আগে আলী আহমদ টেকপাড়া শিমরাইলের মনির হোসেনের বাড়িতে মাসে সাড়ে ৭ হাজার টাকায় ভাড়া থাকতো। গ্রেফতারকৃত আলী মোহাম্মদ নূর হোসেনের ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত ছিল। চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন উৎস থেকে আসা নূর হোসেনের অর্থ লেনদেন হতো তার মাধ্যমে। মহাজোট সরকারের আমলে রূপগঞ্জে কয়েক বিঘা জমি ক্রয় করেছেন নিজের ও স্ত্রীর নামে। বর্তমানে আলী আহাম্মদ কারাগারে রয়েছে।

নূর হোসেনের অন্যতম সহযোগী ও বহু অপকর্মের হোতা ওয়াহিদুজ্জামান সেলিম ওরফে কিলার সেলিম ছিল নূরের অবৈধ বালু ব্যবসা, ভূমি দখল ও মাদক ব্যবসার অন্যতম নিয়ন্ত্রক। তাছাড়া কাঁচপুরের ল্যান্ডিং স্টেশনে নূরের জলসা মহলের প্রধান নিয়ন্ত্রকও ছিলেন এই সেলিম। বন্দরের কুড়িপাড়া এলাকার বাসিন্দা হলেও তিনি নূরের বদৌলতে ঘাটি গেড়েছিলেন সিদ্ধিরগঞ্জে। সেলিম ৭ খুনের পর নূর হোসেনের সঙ্গে ভারতে পালিয়ে যান। ২০১৪ সালের ১৪ জুন কলকাতার কৈখালী এলাকায় নূর হোসেনের সঙ্গে তার দুই সহযোগী ওয়াহিদুজ্জামান সেলিম ও খান সুমন গ্রেফতার হন। ওই বছরের ৩ ডিসেম্বর শর্তসাপেক্ষে (চার হাজার রুপির ব্যক্তিগত বন্ড ও দুইজন জামিনদার) তার জামিন মঞ্জুর করেন উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা ও দায়রা আদালত। আদালতের তরফে তার জামিন মঞ্জুরের কাগজপত্র কারাগারে এসে পৌঁছানোর পর বিকেলে মুক্ত হন সেলিম। এদিন কারাগার থেকে সেলিমকে নিতে আসেন নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগ সদস্য মুনির হোসেন। ২০১৫ সালের ১৬ অক্টোবর বারাসত আদালত নূর হোসেনকে বাংলাদেশে পাঠানোর নির্দেশের সঙ্গে নূর হোসেনের দুই সহযোগী জামিনে থাকা খান সুমন ও ওয়াহিদুজ্জামান সেলিমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। ওই বছরের ১২ নভেম্বর নূর হোসেনকে বন্দিবিনিময় চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করে ভারত সরকার। ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারী নারায়ণগঞ্জের আদালতে আত্মসমর্পণ করেন আলোচিত সাত খুনের পরে ভারতের কলকাতায় নূর হোসেনের সঙ্গে গ্রেফতার হওয়া দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ৭ খুন মামলায় ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামী ওয়াহিদুজ্জামান সেলিম।

জামালউদ্দিন ছিলেন চিটাগাং রোড রেন্ট-এ-কার মালিক সমিতির সভাপতি। তার বাড়ি মিজমিজির বাতানপাড়া এলাকায়। আদমজীর প্রয়াত শ্রমিক নেতা রেহান উদ্দিনের খালাতো ভাই জামাল ছিলেন নূর হোসেনের ঘনিষ্ঠ সহচর। তার নিজের পরিবহন ব্যবসা রয়েছে। তার বিরুদ্ধেও ১০-১২টি মামলা আছে। জামালউদ্দিনের শটগানের লাইসেন্স নম্বর ছিল ৫১৮/১৩। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পরে ২০১৭ সালের ১৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের আদালতে আত্মসমর্পণ করেন নূর হোসেনের ক্যাশিয়ার খ্যাত জামালউদ্দিন।

মিজানুর রহমান দিপু (২৮) সিদ্ধিরগঞ্জের কলাবাগ পশ্চিমের হাবিবুর রহমান হাবিবের ছেলে। মিছিল-মিটিং মারপিটের নেতৃত্বদাতা। কাকে কীভাবে মারতে হবে, ধরতে হবে তা চিহ্নিত করে নূর হোসেনের অনুমতি নিয়ে নির্যাতন করা। সে নৌপথের বালু, পাথরবাহী ট্রলার থেকে চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করতো। ঘটনার পরপরই সে গ্রেফতার হয়েছিল।

রহম আলী নূর হোসেনের ঘনিষ্ট সহযোগি ছিল। অনেক স্থানে টাকা পয়সার লেনদেন হতো রহম আলীর মাধ্যমে। নূরের বিশ্বস্ত রহম আলী বিভিন্ন স্থানে টাকা পৌছে দিত। সাত খুনের আগে ও পরেও বিভিন্ন সময়ে টাকা লেনদেন হয়েছে। ওই টাকার বিতরণের একটি অংশেও রহম আলী সম্পৃক্ত ছিল। গ্রেফতারকৃত রহম আলী ডেমরা থানার সারুলিয়া এলাকার বাহাদুর বিশ্বাসের ছেলে। সিদ্ধিরগঞ্জে নূর হোসেনের যাত্রাপালা, জুয়া ও অশ্লীল নৃত্যগুলো পরিচালনা করতো রহম আলী। ৭ খুনের পর থেকেই সে পলাতক ছিল। ৭ জনের লাশ উদ্ধারের পর ২০১৪ সালের ১ মে ওই যাত্রাপালা, জুয়া ও অশ্লীল নৃত্যের মঞ্চে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষুব্দ জনতা। ৭ খুনের কিছুদিন পরেই গ্রেফতার হয়েছিল রহম আলী।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহ প্রচার সম্পাদক আবুল বাশার ছিলেন প্রধান আসামী নূর হোসেনের ঘনিষ্ট সহযোগি। আবুল বাশার সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি এলাকায় ভাড়া থাকতো। সে নূর হোসেনের হয়ে আদমজী ইপিজেড দখলের কাজে নিয়োজিত ছিল। আদমজী ইপিজেড এলাকায় তার নেতৃত্বে একাধিকবার মহড়াও দিয়েছিল আবুল বাশার। এছাড়া নূর হোসেনের নিয়ন্ত্রিত জুয়া, অশ্লীল নৃত্য আর মাদক স্পট হতে কী পরিমাণ টাকা আদায় হতো ও এসব টাকা কোথায় কাকে দেয়া হতো সেটারও দেখাশোনা করতে আবুল বাশার। ৭ খুনের কিছুদিন পরেই গ্রেফতার হয়েছিল আবুল বাশার।

মোর্তুজা জামান চার্চিল ছিল নূর হোসেনের প্রধান বডিগার্ড। নূরের অনেক অপকর্মের নিরব সাক্ষী সে। নূরের নামে নেয়া লাইসেন্সকৃত (পরে বাতিলকৃত) পয়েন্ট ২২ বোরের রাইফেল ও পিস্তল (পয়েন্ট ২২ বোর রাইফেল নং ১২২/১২, এনপিবি পিস্তল নং ২৮৫/১৩) নিয়ে ছিল চার্চিলের অবাধ বিচরণ। বিশাল গাড়িবহরে সবসময়ই চার্চিলের উপস্থিতি থাকতো। নির্দেশ পালনে বিন্দুমাত্র সময়ে নিত না এবং টর্চারে পারদর্শী ছিল বলে চার্চিল ছিল নূরের প্রিয়দের একজন। নূরের নির্দেশে যে কোন অপকর্ম করতে সে ছিল সিদ্ধহস্ত। নূর হোসেন কারো উপর চটলে তার টর্চারের ভার ন্যাস্ত হতো চার্চিলের উপরই। মুন্সিগঞ্জের গজারিয়াতে ইউপি চেয়ারম্যান কিলিং মিশনেও ছিল চার্চিল। নূরের সকল অপকর্মের নিরব সাক্ষী চার্চিল ছিল সিদ্ধিরগঞ্জের ত্রাস। ৭ খুনের কিছুদিন পরেই গ্রেফতার হয়েছিল চার্চিল।


বিভাগ : রাজনীতি


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও