সারাদিন কোরআন পড়েন শামীম ওসমান

স্টাফ করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ১০:৪৮ পিএম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ বুধবার

সারাদিন কোরআন পড়েন শামীম ওসমান

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান প্রায় সময় ইবাদত বন্দেগীর নানা দিক তুলে থাকেন জনগণের সামনে। শুধুমাত্র সৃষ্টিকর্তার জন্য করা ইবাদাত বন্দেগীর নানা দিক জনগণের সামনে তুলে ধরছেন এই সাংসদ। কখনো দৈনিক ৭০-৮০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করা আবার কখনো আড়াই দিনে পবিত্র কোরআন শরীফ খতম দেয়ার মত নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য তার বক্তব্যে উঠে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় এবার সারা দিন পবিত্র কোরআন শরীফ পড়ার তথ্যও উঠে এসেছে।

২১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে সাংবাদিকদের সাথে সাক্ষাত করেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান।

শ্মশানের মাটির ঘটনার স্মৃতিচারণ করে শামীম ওসমান বলেন, ওই দিন প্রথম দরজাটা আপনি (সাংবাদিক আবদুস সালাম) খুলেছিলেন আপনি আমার অবস্থাটা দেখেছিলেন। এই স্মৃতি আমার থাকবে। আপনারা যদি সেদিন দৌড়ে না যেতেন আমি হয়তো আজকে এখানে বসতে পারতাম না। আমি সারাদিন কোরআন পড়ি। গাড়িতে বসেও কোরআন পড়ি। সেই লোক যখন আমি সূরা ফাতিহা পড়তে পারতেছিনা দরুদ পড়তে পারতেছিনা, আটকায় গেছে আমার দরুদ। সামথিং কেন বি হ্যাপেন্ড। সহানুভূতির একটা হাত এটার অনেক দাম আছে। কিছু করতে না পারলেও সাহস জোগায়। সেদিনও তাই করেছে।

এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর শনিবার বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের নাভানা বালুর মাঠে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তার পরহেজগারীর কথা তুলে ধরে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান মাওলানাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদেরকে আপনারা ইসলাম বুঝান আমরা কুরআন পড়ি না ? ২২ বছর ধরে তাহাজ্জুদ ছাড়ি নাই। প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ রাকাআত নফল নামাজ বেশি পড়ি আল্লাহর রহমতে। দুইবেলা কুরআন শরীফ পড়ি। ধর্ম সবার। ধর্মের জবাব আল্লাহর কাছে দিবো আর কারও কাছে না। কারও কাছ থেকে লাইসেন্স দিতে হবে আমার ? আমি মুসলমান আমি মুসলমান না। আপনারা লাইসেন্স দিবেন আমাদের। আল্লাহ আপনাদের হেদায়েত করুক।

২৭ ডিসেম্বর ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের কর্মী সভায় নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান বলেছেন, আমি রাতের তিনটা বাজে উঠে শুধু আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী না বিএনপির এই খোরশেদকে রাতে সাড়ে তিনটা বাজে আমি ফোন করেছি। সাড়ে তিনটার সময় তার বউকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দুই রাকাআত শোকরানা নফল নামাজ পড়েছি। যেদিন তার বউ হাসপাতাল থেকে ফেরত আসে সেদিনও আমি দুই রাকাআত শোকরানা নফল নামাজ পড়েছি। সে সময় সবারটা পারছি শুধু দুইজনেরটা পারি নাই। অ্যাম্বুলেন্সে উঠানোর আগেই চলে গেছেন। তিনি আরো বলেন, আমি করোনার সময়ে ফোনে ফোনে কাজ করছি। যোহরের সময়ে বসেছি একেবারে মাগরিবের সময়ে উঠেছি। আড়াইদিনে কোরআন শরীফ খতম দিয়েছি।

এর আগে বিভিন্ন সময় ওয়াজ মাহফিলে যোগদান করে বয়ান করেছেন এই সাংসদ। এমনকি ওয়াজ মাহফিলের বক্তাদের চেয়েও বেশি ওয়াজ করতেন এই সাংসদ। তাছাড়া অবাস্তব আমলের কথা জাহির করতে গিয়ে সর্বমহলের হাসি ঠাট্টার খোড়াতে পরিণত হয়েছে এই নেতা।


বিভাগ : ধর্ম


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও